লাভেজ্জিকে ও ভাবে পড়ে যেতে দেখে রীতিমতো ভয় পেয়ে সবাইকে ডাকছিলেন ইউএসএ-র খেলোয়াড়েরা। মাঠের ভেতর থেকে ছুটে এসেছিল মেসি-সহ পুরো দল। রিজার্ভ বেঞ্চে তখন উৎকণ্ঠা। ছুটে এসেছেন টিম ডাক্তার, স্ট্রেচার। মিনিট খানেকের টেনশনে কাটল! লাভেজ্জি আলতো করে মাথা তুললেন। উঠে দাঁড়াতে বেশ সময় নিলেন। যখন দাঁড়ালেন, তখনও ধরে রাখতে হচ্ছিল।
কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে ইউএসএ-র বিরুদ্ধে শুরু করেছিলেন তিনিই। তিন মিনিটে গোলের মুখও খুলে ফেলেছিলেন। পুরো প্রথমার্ধটা প্রতিপক্ষকে বার বার সমস্যায় ফেলছিলেন। ব্যস্ত রাখছিলেন ইউএসএ রক্ষণকে। সেই লাভেজ্জিকেই ৬৭ মিনিটে মাঠ ছাড়তে হল ভয়ঙ্কর চোট পেয়ে।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপটা পেতেই হবে! নইলে...
উঁচু হয়ে আসা একটি বল লক্ষ্য করে পিছন দিকে দৌড়চ্ছিলেন তিনি। বুঝতেই পারেননি পৌঁছে গিয়েছেন টাচ লাইনে অ্যাড বোর্ডের কাছে। সেই বোর্ডে ধাক্কা খেয়ে টাল সামলাতে না পেরে বোর্ডের পিছন দিকে পড়ে যান লাভেজ্জি। মাথা গিয়ে পরে মাঠে। সেটা বাঁচাতে গিয়ে ডান হাতটা বাড়িয়েছিলেন। গুরুতর চোট পান সেই হাতেই। হাত বাঙার সম্ভাবনা। সঙ্গে সঙ্গেই নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। গ্যালারির দিকে থামসআপ দেখিয়েই মাঠ ছাড়েন লাভেজ্জি। তাতেই যা স্বস্তি আর্জেন্তাইন শিবিরে।