Advertisement
২৫ মে ২০২৪
Sports News

আইজলের জয় চাইছেন কলকাতার বহু প্রাক্তন

আই লিগ ও এনএফএলের ২১ বছরের ইতিহাসে প্রথম বারের জন্য খেতাবি লড়াইয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের কোনও ক্লাব। রবিবার ভারতীয় ফুটবলের মাহেন্দ্রক্ষণে দাঁড়িয়ে আবেগতাড়িত দেশের প্রাক্তন এবং বর্তমান ফুটবলাররা।

আইজল ফুটবল দল। ছবি: ফেসবুক।

আইজল ফুটবল দল। ছবি: ফেসবুক।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:৪১
Share: Save:

আই লিগ ও এনএফএলের ২১ বছরের ইতিহাসে প্রথম বারের জন্য খেতাবি লড়াইয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের কোনও ক্লাব। রবিবার ভারতীয় ফুটবলের মাহেন্দ্রক্ষণে দাঁড়িয়ে আবেগতাড়িত দেশের প্রাক্তন এবং বর্তমান ফুটবলাররা। আইজলের এই রুপকথার উত্থানকে ভারতীয় ফুটবল আঙিনায় উ়দীয়মান নক্ষত্রের সঙ্গে তুলনা করলেন প্রাক্তন তারকা মিডফিল্ডার গৌতম সরকার। গৌতম বলেন, “আইজলের এই উত্থান ভারতীয় ফুটবল মানচিত্রে একটি মাইলস্টোন স্থাপন করল। ঠিকঠাক পরিচর্চা পেলে দেশীয় ফুটবলাররাও যে হাইপ্রোফাইল বিদেশিদের ছাপিয়ে যেতে পারে তা দেখিয়ে দিল আইজলের তরুণ তুর্কীরা। আইজলের এই সাফল্য ফুটবল মানচিত্রে পিছিয়ে পড়া রাজ্য গুলিকে ফুটবলের মূল স্রেতে ফিরতে যে উদ্বুদ্ধ করবে সে বিষয় কোনও সংশয় নেই”।

আরও খবর: আই লিগে বিপ্লবের নাম এখন আইজল

একই সুর সুভাষ ভৌমিকের গলাতেও। এদিন ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “ সাম্প্রতিক কালে ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম সাপ্লাইলাইন উত্তর-পূর্ব ভারত। সেখানে দাঁড়িয়ে যদি তরুণ প্রতিভাদের নিয়ে তৈরি একটি দল ইস্ট-মোহনকে পেছনে ফেলে খেতাব ঘরে তুলতে পারে তা নিঃসন্দেহে একটি বড় বিষয়। এর অধিকাংশ কৃতিত্বই দিতে হয় খালিদ জামিলকে। আইজলের এই সাফল্যের জন্য খালেদের পাশাপাশি আইজলের ইউথ ডেভলভমেন্ট কোচ জহর দাসের ভূয়শী প্রশংসা করেন কোচ বিশ্বজিত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “গত বছর অবনমনে পড়া একটি দল যে ভাবে সুযোগ পেয়ে চলতি আই লিগ জেতার অন্যতম দাবিদার তাতে খালিদ জামিল এবং জহর দাসকে বিশেষ ভাবে কৃতিত্ব দিতে হয়। এত চাপের মধ্যেও তরুণ ফুটবলারদের মানসিকতা ঠিক জায়গায় ধরে রাখার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব খালিদের এবং জহরের। পরিকাঠামো এবং পরিচর্চা ঠিক মত পেলে যে কোনও দল যে চ্যাম্পিয়নশিপের দাবিদার হতে পারে তার অন্যতম উদাহরণ আইজল”।

আইজলের অভূতপূর্ব উত্থানকে ভারতীয় ফুটবলের নবদিগন্ত হিসাবে চিহ্নত করেন দেশের অন্যতম সফল গোলরক্ষক সন্দীপ নন্দী। এদিন তিনি বলেন, “ আজ আই লিগের ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় দিন। আইজলকে দেখে শেখা উচিত ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের। স্থানীয় প্লেয়ারদের উপর ভরসা রাখলে, সঠিক পরিচর্চা দিলে যে তারাও দলকে সেরা করতে পারে বু়ঝিয়ে দিল আইজল। কলকাতায় খেপের মাঠে খেলা তথাকথিত ছোট দলের ফুটবলাররাও যে কোনও অংশে কম নয়, আরও একবার প্রমাণ করে দিল কামো এবং আলফ্রেড। এটা ভারতীয় ফুটবলের একটি নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত”।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

অন্য বিষয়গুলি:

Football I League 2017 Mohun Bagan Aizawl FC
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE