চার বছর ধরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে। থামার কোনও লক্ষণ নেই। তার প্রভাব পড়ছে খেলাধুলোতেও। বৃহস্পতিবার ফরাসি ওপেনের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিলেন দুই দেশের দুই খেলোয়াড়। তাঁরা একে অপরের সঙ্গে হাত মেলালেন না। ছবিও তুললেন না। ১৯ বছরের রাশিয়ার মিরা আন্দ্রিভা ইউক্রেনের মার্তা কস্তিউককে ৬-১, ৬-৩ গেমে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছেন। তিনি খেলবেন পোল্যান্ডের মাজা খোয়ালিনস্কার বিরুদ্ধে, যিনি অপর সেমিফাইনালে ৭-৬, ৬-৪ হারিয়েছেন ডায়ানা স্নাইডারকে।
আন্দ্রিভা প্রথম ম্যাচ পয়েন্ট কাজে লাগিয়ে জিতে যান। এর পর রেফারির সঙ্গে হাত মেলালেও দুই খেলোয়াড় একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাননি। ফিলিপে শঁতিয়ে কোর্টে সমর্থকদের দিকে হাত নেড়ে অভিবাদন গ্রহণ করতে থাকেন। মার্তাকে সমর্থন করতে প্রচুর ইউক্রেনীয় এসেছিলেন। তাঁদের গায়ে জড়ানো ছিল পতাকা। হারলেও মার্তাকে হাততালি দিয়ে অভিবাদন জানান তাঁরা। রাশিয়া নির্বাসিত থাকায় আন্দ্রিভা খেলছেন নিরপেক্ষ খেলোয়াড় হিসাবে। তাঁকে সমর্থন করতেও অনেকে এসেছিলেন।
ম্যাচের আগেও দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে বৈরিতা বজায় ছিল। টসের সময় নেটে দু’দিকে দাঁড়িয়ে প্রতিযোগী দুই খেলোয়াড়কে ছবি তুলতে দেখা যায়। এ দিন দুই খেলোয়াড় আলাদা আলাদা ছবি তোলেন। অতীতে মার্তা এবং স্বদেশি ওলেকসান্দ্রা ওলিনিকোভা মুখ খুলেছিলেন রাশিয়ার আক্রমণের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন:
ম্যাচ জিতে মার্তা বলেন, “প্রথম বার গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে উঠতে পেরে খুশি। এত রকম অনুভূতি হচ্ছে যে বলে বোঝাতে পারব না। নিজেকে নিজেই বলেছিলাম, যা-ই হোক না কেন, কোর্টে নেমে নিজের সেরাটা দিয়ে লড়াই করব। সেই কারণেই জিততে পেরেছি।”