Advertisement
E-Paper

মাপকাঠি এসআইআর! রাজ্যে অযোগ্য রেশন গ্রাহকদের চিহ্নিত করে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পাঁচটি বিশেষ ক্যাটেগরির উপর ভিত্তি করে অযোগ্য রেশন গ্রাহকদের চিহ্নিত করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে— অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত, এবং ভুয়ো বা ডুপ্লিকেট ভোটার, যাঁরা ইতিপূর্বে খসড়া তালিকায় ছিলেন কিন্তু চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় বাদ পড়েছেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬ ২৩:৩৭

— প্রতীকী চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হতেই রেশন ব্যবস্থায় বড়সড় পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় স‌ংশোধনী’ (এসআইআর)-র উপর ভিত্তি করে অযোগ্য পাবলিক ডিসট্রিবিউশন সিস্টেম (পিডিএস) উপভোক্তাদের রেশন কার্ড বাতিল বা বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খাদ্য ও সরবরাহ দফতর। বৃহস্পতিবার খাদ্য ভবনের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। আগামী ১৫ জুনের মধ্যে এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পাঁচটি বিশেষ ক্যাটেগরির উপর ভিত্তি করে অযোগ্য রেশন গ্রাহকদের চিহ্নিত করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে— অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত, এবং ভুয়ো বা ডুপ্লিকেট ভোটার, যাঁরা ইতিপূর্বে খসড়া তালিকায় ছিলেন কিন্তু চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় বাদ পড়েছেন। এ ছাড়া, বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর ভোটার তথ্য স্লিপ বিতরণের সময় যাঁদের অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত এবং ডুপ্লিকেট হিসাবে পাওয়া গিয়েছে, তাঁদের রেশন কার্ডও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তবে সরকার জানিয়েছে, যে সমস্ত উপভোক্তা ইতিমধ্যে এসআইআর ট্রাইবুনালে আপিল করেছেন কিংবা সিএএ-এর অধীনে আবেদন জমা দিয়েছেন, তাঁদের আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রেশন কার্ড সক্রিয় থাকবে। পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও দ্রুত সম্পন্ন করতে খাদ্য দফতরের পোর্টালে একটি অনলাইন মডিউল চালু করা হয়েছে। নির্বাচনী আধিকারিকদের (ইআরও/এইআরও) অফিস বা সিইও পোর্টাল থেকে বুথভিত্তিক বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা সংগ্রহ করবেন এলাকার খাদ্য পরিদর্শকেরা। তাঁরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই করবেন এবং সংশ্লিষ্ট গ্রাহক ট্রাইবুনালে আপিল করেছেন কি না বা সিএএ আবেদন করেছেন কি না, তা অনলাইন পোর্টালে নথিভুক্ত করবেন।

যদি কোনও উপভোক্তা আপিল বা আবেদনের সপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণ বা নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন, তবে পরিদর্শকেরা সেই ডিজিটাল রেশন কার্ড বাতিলের সুপারিশ করবেন। পরবর্তী সময়ে মহকুমা খাদ্য নিয়ামক (এসসিএফএস) বা রেশন আধিকারিকেরা (আরও) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। পুরো কাজটির দৈনিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন জেলাশাসক এবং ডিসিএফএস-রা। আগামী ১৫ জুনের মধ্যে এই স্ক্রিনিং ও ডেটা আপলোডের কাজ শেষ করার জন্য কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Ration Cards SIR
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy