যতটা স্বচ্ছন্দে থাকেন, ততটা স্বচ্ছন্দে পাওয়া যায়নি শুক্রবার। তবে উইম্বলডনে জিততে অসুবিধা হল না নোভাক জোকোভিচের। সাত বারের বিজয়ী ছুঁয়ে ফেললেন রজার ফেডেরারের একটি নজির। ঘাসের কোর্টে জিতেছেন বিশ্বের এক নম্বর ইয়ানিক সিনার, মেয়েদের শীর্ষ বাছাই এরিনা সাবালেঙ্কা, সপ্তম বাছাই কোকো গফও।
উইম্বলডনে এত দিন সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতার নজির ছিল ফেডেরারের। তা ছুঁয়ে ফেলেছেন জোকোভিচ। আর্থার রিনডারনেচকে হারিয়েছেন ৭-৫, ৬-৪, ১-৬, ৭-৬ গেমে। এই নিয়ে ১০৫টি সিঙ্গলস ম্যাচ জিতলেন উইম্বলডনে। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতার রেকর্ড রয়েছে মার্টিনা নাভ্রাতিলোভার (১২০)।
জোকোভিচ বলেছেন, “এই খেলায় ইতিহাস গড়তে পারলে সব সময়েই গর্বিত লাগে। আমি সম্মানিত। ছোটবেলা থেকেই উইম্বলডন আমার কাছে সম্মানের প্রতিযোগিতা। জানি না ১০৫ বা ১০৬ নম্বর ম্যাচ জিতব কি না। প্রতি দিন পরের ম্যাচ জেতার কথাই ভাবি।”
টানা পাঁচ বার উইম্বলডনের চতুর্থ রাউন্ডে উঠেছেন সিনার। এ দিন স্ট্রেট সেটে উড়িয়েছেন আমেরিকার জেনসন ব্রুকসবিকে। সিনার জিতেছেন ৬-৪, ৬-৩, ৬-৪ গেমে। যদিও সিনারকে নিজের সেরা ছন্দে পাওয়া যায়নি। ২৬টি আনফোর্সড এরর করেছেন তিনি। ব্রুকসবির চেয়ে ৬টি বেশি। মাঝেমাঝে বল ঠিকঠাক মারতেও সমস্যা হচ্ছিল তাঁর। তবে দরকারের সময় নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
-
ক্রিকেটের একটি প্রযুক্তিই বাঁচিয়ে রাখল পর্তুগালের বিশ্বকাপ-স্বপ্ন, ক্রোয়েশিয়ার গোল বাতিলের আসল কারণ জানাল ফিফা
-
মিশর ফুটবলের কর্তাকে জোর করে ধাক্কা আমেরিকার পুলিশের, বিমানবন্দরেই শুরু হাতাহাতি, ক্ষিপ্ত সালাহদের শিবির
-
শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচেও অভিষেকের সম্ভাবনা নেই বৈভবের, ইঙ্গিত ভারতের বোলিং কোচের, প্রথম একাদশে দুই পরিবর্তন ইংল্যান্ডের
মেয়েদের এক নম্বর সাবালেঙ্কা ৯২ মিনিটের লড়াইয়ে ৬-৪, ৬-৪ গেমে হারিয়েছেন ইয়েলেনা অস্টাপেঙ্কোকে। দ্বিতীয় সেটে এক সময় ১-৪ গেমে পিছিয়ে ছিলেন সাবালেঙ্কা। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচ জেতেন। চতুর্থ রাউন্ডে তিনি খেলবেন নেয়োমি ওসাকার বিরুদ্ধে। তিনি ৬-১, ৬-৩ হারিয়েছেন দারিয়া কাসাতকিনাকে। চতুর্থ বাছাই জেসিকা পেগুলা ৬-১, ৬-৩ হারিয়েছেন জেসিকা বুজাস মানেইরোকে। সপ্তম বাছাই কোকো গউ ৬-৪, ৬-৭, ৬-২ গেমে হারিয়েছেন ক্লেয়ার লিউকে।