Advertisement
E-Paper

ক্রিকেটবিশ্বে একঘরে হয়ে যাবে পাকিস্তান? নকভির হুমকিতে চটেছে আইসিসি, নির্বাসনের মুখে পড়তে পারে পাক ক্রিকেট

পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভির মন্তব্য ভাল ভাবে নিচ্ছে না আইসিসি। পাকিস্তান নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৩৩
(বাঁ দিকে) মহসিন নাকভি। জয় শাহ (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) মহসিন নাকভি। জয় শাহ (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

বাংলাদেশ এখন অতীত। এ বার আইসিসির সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সম্পর্ক নিয়ে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার সঙ্গে পাক বোর্ডের।

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে ছাঁটাই করেছে আইসিসি। এর পর পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভির মন্তব্য এবং বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে তাদেরও প্রতিযোগিতা বয়কট করার হুমকি ভাল ভাবে নিচ্ছে না আইসিসি। পাকিস্তান নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে।

আইসিসির বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে শনিবার নকভি বলেছিলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যা হয়েছে তা অন্যায়। তাঁদেরও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার আর কোনও নিশ্চয়তা নেই জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, এ ব্যাপারে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাকিস্তান সরকার নেবে।

জানা যাচ্ছে, নকভি এবং পাক বোর্ডের এই অবস্থান এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে তাদের যে একটা মাখোমাখো সম্পর্ক রয়েছে, তাতে আইসিসি অত্যন্ত অসন্তুষ্ট। প্রকাশ্যে আইসিসিকে চ্যালেঞ্জ করা এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের হুমকি দিয়ে নকভি আইসিসিকে চটিয়েছেন।

সূত্রের খবর, পাকিস্তান যদি সত্যিই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলে, তা হলে তাদের উপর আইসিসি এমন নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞা জারি করার কথা ভাবছে যা পাকিস্তানকে ক্রিকেট বিশ্ব থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে।

কী কী শাস্তি হতে পারে পাকিস্তানের

এক, সমস্ত দ্বিপাক্ষিক সিরিজ থেকে নির্বাসন

দুই, এশিয়া কাপ থেকে বহিষ্কার

তিন, অন্য দেশের ক্রিকেট বোর্ডগুলিকে রাজি করিয়ে ‘নো এনওসি’ নীতি কার্যকর করা, যাতে বিদেশি তারকারা পাকিস্তান সুপার লিগে অংশ নিতে না পারেন। এবং পাকিস্তানের ক্রিকেটারেরা যাতে বিদেশের লিগে খেলতে না পারেন।

এই ধরণের নিষেধাজ্ঞা কেবল পিসিবির আয়ের প্রধান উৎসগুলিকেই বন্ধ করবে না, পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটের যে বাণিজ্যিক মূল্য, তা-ও কয়েক গুণ কমিয়ে দেবে। বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন পাকিস্তানের ক্রিকেটারেরা। তাদের কাছে প্রায় কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচই থাকবে না। অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশের মতো লিগেও তারা খেলতে পারবে না।

নকভি কী বলেছেন

যদিও পাকিস্তান এখনও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেনি, তবে নকভি জানিয়েছেন, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এমনকি তিনি অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ডকেও পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

নকভি সাংবাদিকদের বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। একটা দেশ যখন খুশি যেকোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অথচ অন্য দেশের ক্ষেত্রে তা সম্পূর্ণ উল্টো। বাংলাদেশ বিশ্বক্রিকেটের একটা বড় অংশীদার, তাদের প্রতি এই অবিচার হওয়া উচিত নয়।”

ভারত এবং পাকিস্তান যে কোনও প্রতিযোগিতায় ‘হাইব্রিড মেডল’-এ (দুই দেশই পরস্পরের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশে খেলবে) খেলবে— আইসিসি এই সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছে। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে নকভি বলেন, “পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশও আইসিসির পূর্ণ সদস্য। পাকিস্তান ও ভারতকে যদি বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়, তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম হওয়া উচিত। একটি দেশ অন্য দেশের ওপর নিজের শর্ত চাপিয়ে দিতে পারে না।”

PCB ICC Mohsin Naqvi
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy