Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০২ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

বিস্ফোরণ থেকে রক্ষা শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার শনাকার

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৪ এপ্রিল ২০১৯ ০১:০৪
উদ্বিগ্ন: শনাকার রক্ষা। আহত তাঁর মা ও ঠাকুরমা। ফাইল চিত্র

উদ্বিগ্ন: শনাকার রক্ষা। আহত তাঁর মা ও ঠাকুরমা। ফাইল চিত্র

ইস্টারের প্রার্থনার সময় সন্ত্রাসবাদীদের জঙ্গি হানায় অল্পের জন্য রক্ষা পান শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার দাসুন শনাকা। গত রবিবারের যে ঘটনায় প্রায় তিনশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন পাঁচশোরও বেশি।

শ্রীলঙ্কার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা সাতাশ বছরের অলরাউন্ডার দাসুন শনাকার বিস্ফোরণের একটি কেন্দ্র নেগম্বোর সেন্ট সেবাস্টিয়ান চার্চে প্রার্থনার সময় থাকার কথা ছিল তাঁর মা ও ঠাকুমার সঙ্গে। কিন্তু আগের দিনই তিনি অনুরাধাপুরা থেকে ১৭০ কিলোমিটার ভ্রমণ করে সন্ধেবেলা বাড়ি ফেরেন। ক্লান্তিজনিত কারণেই শেষ মুহূর্তে ঠিক করেন ইস্টারের প্রার্থনায় তিনি চার্চে যাবেন না। দাসুন শনাকা বলেছেন, ‘‘আমার পক্ষে চার্চে থাকাটাই স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল। কিন্তু আগের দিনই অনুরাধাপুরা থেকে ফিরে প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ি।’’ সঙ্গে যোগ করেন, ‘‘সে দিন সকালে নিজের বাড়িতে বসে বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। লোকে তখন বলছে চার্চে বিস্ফোরণ হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যাই। ওখানে যে বীভৎস আর করুণ দৃশ্য দেখতে হয়েছে কোনওদিন তা ভুলব না। দেখি পুরো চার্চটাই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। লোকে টেনে হিঁচড়ে সেখান থেকে মৃতদেহ বার করছে।’’

চার্চে প্রথমেই তিনি খুঁজে বার করেন তাঁর আহত মা-কে। নিয়ে যান হাসপাতালে। শ্রীলঙ্কার এই অলরাউন্ডারের কথা, ‘‘তার পরেই খুঁজতে শুরু করি ঠাকুরমাকে। কিন্তু যখন শুনলাম ঠাকুরমা ভেতরে বসে ছিল, তখন ভয়ে বুক কেঁপে গেল।’’ দাসুন ধরেই নিয়েছিলেন যে, তিনি আর বেঁচে নেই। তাঁর কথায় ‘অলৌকিক ভাবে’ তিনি আবিষ্কার করেন প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তাঁর ঠাকুরমাও। প্রাণে বাঁচলেও শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারের ঠাকুরমা মাথায় আঘাত পান। অস্ত্রোপচারও করাতে হয়।

Advertisement

আরও পড়ুন

Advertisement