Advertisement
E-Paper

চেয়ারের সঙ্গে বাড়িও হারাচ্ছেন ব্লাটার

প্রথমে কিছুটা বেসামাল হয়ে গিয়েছেন বলে মনে হয়েছিল। হয়তো দু’জনেই শেষ পর্যন্ত আশায় ছিলেন কড়া শাস্তির হাত থেকে বেঁচে যাবেন। কিন্তু সেটা হয়নি শেষ পর্যন্ত। তবে ফিফার নির্বাসনের ধাক্কা কাটিয়ে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই ফের উঠে দাঁড়াতে কোমর বাঁধতে দেখা গেল দু’জনকেই— সেপ ব্লাটার ও মিশেল প্লাতিনিকে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৩:৪৬
ব্লাটার-প্লাতিনি। পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি।

ব্লাটার-প্লাতিনি। পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি।

প্রথমে কিছুটা বেসামাল হয়ে গিয়েছেন বলে মনে হয়েছিল। হয়তো দু’জনেই শেষ পর্যন্ত আশায় ছিলেন কড়া শাস্তির হাত থেকে বেঁচে যাবেন। কিন্তু সেটা হয়নি শেষ পর্যন্ত। তবে ফিফার নির্বাসনের ধাক্কা কাটিয়ে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই ফের উঠে দাঁড়াতে কোমর বাঁধতে দেখা গেল দু’জনকেই— সেপ ব্লাটার ও মিশেল প্লাতিনিকে।

ব্লাটার শিবির যেমন জানিয়েছে ফি‌ফার আট বছরের নির্বাসনের শাস্তির পর তাঁর নাম এই কলঙ্ক থেকে মেটাতে ‘প্রয়োজনীয় সব আইনি পদক্ষেপ’ নেওয়া হবে। তার জন্য অ্যাপিল কমিটির সামনে নিজের বক্তব্য রাখতে ব্লাটার ‘উদগ্রীব’ হয়ে রয়েছেন বলেও জানিয়েছে তাঁর আইনজীবী। পাশাপাশি শাস্তি গোষণার পরের দিনই ব্লাটারকে ফিফা জানিয়ে দিয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার প্রেসিডেন্টের জন্য নির্দিষ্ট বাসস্থান ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ছেড়ে দিতে হবে। যে সময় ফিফার নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। ইতিমধ্যে তিনি ফিফার মোবাইল ফোন আর ইমেল অ্যাড্রেস হারিয়েছেন। তবে সুইস আইন অনুযায়ী ব্লাটার বেতন পাবেন। যদিও তাঁর বেতন কত সেটা ব্লাটার প্রকাশ্যে জানাতে অস্বীকার করেছেন।

ব্লাটারের মতো একই পথে হাঁটছেন প্লাতিনিও। ফিফার নির্বাসন ‘বড় ধাক্কা’ বললেও কলঙ্ক থেকে নিজের নাম সরাতে লড়াই করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তা ছাড়া তাঁর উপর চাপানো নির্বাসনের জন্য এ বারের ফিফা প্রেসিডেন্টের পদে লড়তে নামতে পারবেন না প্লাতিনি। তবে এখনও সে ব্যাপারে আশা ছাড়ছেন না তিনি। ‘‘আমি লড়ব। তার পর যা ঘটেছে তার দায়িত্ব নেব।’’ তবে প্লাতিনি স্বীকার করেছেন তাঁকে ফিফার প্রেসিডেন্টের দৌড়ে থাকার আশা রাখতে হলে দ্রুত কিছু করতে হবে। পাশাপাশি যে ব্লাটার আর তাঁর মধ্যে যে আর্থিক লেনদেন নিয়ে সমস্যা তাতেও ভুল কিছু দেখছেন না তিনি। ‘‘আমি তো গোটা ব্যাপারটা বুঝতেই পারছি না। কেন? কেন এই জায়গায় আসতে হল? আমি কিছু কাজ করেছিলাম। তার জন্য অর্থ চেয়েছিলাম। আমাকে যা মিটিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য করও দিয়েছি। এটা ২০১১-র ঘটনা। একটা ঋণ ছিল। সেটা মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখানেই তো ফুলস্টপ পড়া উচিত। আবার ২০১৫-তে সুইস কোর্ট এ ব্যাপারে আরও তথ্য চাইল। তার পর ফিফায় গড়াল। এতে অনেকে খুশি হয়েছেন জানি।’’

ফিফা এথিক্স কমিটিকে বিঁধতেও ছাড়েননি তিনি। প্লাতিনির প্রশ্ন, ‘‘ফিফা এথিক্স কমিটি এতদিন কী করছিল। ২০১১ থেকে? ঘুমোচ্ছিল? হঠাৎ জেগে উঠল? আর তাও কোন সময়, নির্বাচনের বছরে। যখন আমি অন্যতম পদপ্রার্থী। চমৎকার!’’

fifa platini blater
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy