×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২১ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

সর্দার বল্লভভাই পটেলের নাম মুছে নতুন নাম পেল গুজরাতের মোতেরা: নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম

সংবাদ সংস্থা 
আমদাবাদ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৫:০২
বুধবার এই স্টেডিয়ামের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

বুধবার এই স্টেডিয়ামের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।
ছবি: পিটিআই

বদলে গেল মোতেরার সর্দার পটেল স্টেডিয়ামের নাম। ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বল্লভভাই পটেলের নামে ১৯৮৩-তে গুজরাতের আমদাবাদে ওই স্টেডিয়াম তৈরি হয়। তার আগে এর নাম ছিল গুজরাত স্টেডিয়াম। বুধবার সেই স্টেডিয়ামেরই নাম বদলে হল নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামকে ঘিরে একটি ক্রীড়াক্ষেত্র তৈরি হবে। তার নাম যদিও রাখা হচ্ছে সর্দার বল্লভভাই পটেল ক্রীড়াক্ষেত্র।

বুধবার এই স্টেডিয়ামের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। তার পরেই ওই স্টেডিয়ামে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ শুরু হয়, ভারত বনাম ইংল্যান্ডের তৃতীয় টেস্ট। নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের সূচনালগ্নে সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজু। গুজরাতের রাজ্যপাল দেবব্রত, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ সেখানে থাকলেও ছিলেন না বোর্ড সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। সে কারণেই হয়তো মোতেরায় যাননি তিনি।

অমিত শাহ স্টেডিয়ামের সূচনা অনুষ্ঠান থেকে জানিয়েছেন, সর্দার বল্লভভাই পটেল ক্রীড়াক্ষেত্র এবং নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের সঙ্গে আমদাবাদেরই নারাণপুরায় একটি ক্রীড়াঙ্গন তৈরি হবে। তাঁর কথায়, ‘‘এই তিনটি জায়গা মিলিয়ে যে কোনও আন্তর্জাতিক খেলা আয়োজন করা যেতে পারে। হতে পারে অলিম্পিকও।’’ তিনি বলেন, ‘‘আমদাবাদ ভারতের ক্রীড়াশহর হিসেবে পরিচিতি পাবে।’’

Advertisement

তবে পটেলের নাম মুছে দিয়ে নতুন স্টেডিয়াম মোদীর নামে করায়, রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি যদিও সে বিতর্কে জড়াতে নারাজ। তাদের স্পষ্ট যুক্তি, কোনও নামবদল হয়নি। পটেলের নামেই তো রয়েছে গোটা ক্রীড়াক্ষেত্র। তারই অঙ্গ এই স্টেডিয়াম।

নতুন স্টেডিয়ামে ১ লক্ষ ১০ হাজার দর্শক একসঙ্গে খেলা দেখতে পারবেন। গোলাপি বলের টেস্ট দিয়ে ভারতীয় দল প্রথম নামল এই মাঠে। নতুন স্টেডিয়াম দেখে উচ্ছ্বসিত দুই দলের ক্রিকেটাররা। ইংল্যান্ড দলের পক্ষ থেকে টুইট করে জানানোও হয়েছে সে কথা। সিরিজের এই ম্যাচে যে দল এগিয়ে যাবে, সিরিজ হারার ভয় থাকবে না তাদের। তাই এই ম্যাচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Advertisement