প্র: টানা ১৯ বছর ছোট পর্দায় কাজ করছেন। নতুনদের ভিড়েও হারিয়ে যাননি। কতটা কঠিন ছিল যাত্রাপথ? 

উ: দুটো ব্যাপার সব সময়ে খেয়াল রেখেছি — সময়ানুবর্তিতা এবং ধৈর্য ধরে থাকা। এই ১৯ বছরে কখনও দেরি করে সেটে পৌঁছইনি। কিন্তু প্যাক আপের পর আমি আর অভিনেতা নই। তবে নিজের কাজটা ভীষণ ভাবে উপভোগ করি। ইদানীং দেখি, অনেকেই সময়ের দাম দেন না। খারাপ লাগে। কখনও কিছু পাব বলে তার পিছনে ছুটিনি।  

প্র: এত বছরে টেলিভিশনে অনেক পরিবর্তন দেখেছেন। কী বলবেন? 

উ: কনসেপ্টের অনেক পরিবর্তন দেখেছি। প্রথমে ছিল সাস-বহু ড্রামা, তার পরে এল রিয়্যালিটি শো। মাঝে এসেছিল রিয়্যাল লাইফ ড্রামা। এখন ডাইনি, ভূত-প্রেত, কুসংস্কার সংক্রান্ত বিষয় বেশি চলে। পরিবর্তন প্রয়োজন। এ বার সেটা কখনও মন্দ, কখনও ভাল। তা মেনেই আমাদের চলতে হবে। 

প্র: আপনার জীবনে স্ত্রী গৌরীর প্রভাব অনেকটা। ওঁর সম্পর্কে কী বলবেন? 

উ: গৌরী আমার জীবনে অপরিহার্য। ও আমার জীবন অনেক সরল করে দিয়েছে। আমাদের দুটো সুন্দর যমজ সন্তান রয়েছে। যাদের গৌরী খুব সুন্দর করে মানুষ করছে। পরিবারের জন্য সময় বার করাটা আমি ওর কাছ থেকেই শিখেছি। আমার শপিংও গৌরী করে দেয়। ওকে বাদ দিয়ে নিজের জীবন ভাবতেই পারি না। 

প্র: অভিনেতার জন্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং কতটা জরুরি?

উ: সময়ের সঙ্গে আমাদেরও বদলাতে হবে। দর্শক এক জন অভিনেতার সম্পর্কে জানতে গেলে তাঁর পাবলিক প্রোফাইল দেখেন।  গুগল তো আছেই। কিন্তু টুইটার বা ফেসবুক অনেক বেশি পার্সোনাল। সেখানে ভক্তরা সরাসরি কথাও বলতে পারেন।

প্র: এখন তো আপনি ওয়েব সিরিজ়ও করছেন। ঠিক কী কারণে এই সিদ্ধান্ত নিলেন?  

উ: অনেক দিন ধরেই এই রকম একটা চরিত্র করতে চাইছিলাম। ‘দি ইনভেস্টিগেশন’-এ পুলিশ অফিসারের চরিত্র করছি। যত কঠিন কেসই আসুক, সে তার সমাধান করে ফেলে। ওয়েব সিরিজ় এখন নতুন ক্রেজ়। আমি নিজেও ওয়েব সিরিজ়ের ভক্ত। 

প্র: ওয়েব সিরিজ়ে কোনও সেন্সরশিপ নেই। বোল্ড দৃশ্য এবং গালিগালাজ নিয়ে আপনি কতটা স্বচ্ছন্দ?

উ: অ্যাডাল্ট কনটেন্ট সম্পর্কে আমার একটাই বক্তব্য, রিয়্যাল জিনিস দেখাও, কিন্তু তার একটা সীমা থাকা উচিত। আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় তা হলে বলব, বোল্ড সিনে আমি সহজ নই। তবে সংলাপে গালিগালাজ থাকলে সেটা বলে দেব।