সলমন খান যখন টুইটারে দর্শকের সঙ্গে তাঁর আলাপ করান, লিখেছিলেন— ‘মুঝে লড়কি মিল গয়ি’! পরে জানা যায়, ভগ্নীপতি আয়ুষ শর্মার বিপরীতে নায়িকাকে পেয়ে গিয়েছেন তিনি। আর সেই নায়িকার নামই ওয়ারিনা হুসেন। যাঁকে নাকি ভুলচুক করলে সলমনের কাছে ধমকও খেতে হয়েছে টুকটাক! ‘‘বাট হি ইজ় দ্য সুইটেস্ট,’’ বললেন ওয়ারিনা। জানালেন, কখনও কখনও ছাড়ও দিতেন নবাগতাকে।

‘লাভরাত্রি’র প্রচারে প্রথম বার কলকাতায় ওয়ারিনা। শহরের আর্কিটেকচার তাঁর নজর কেড়েছে। আলাদা করে নিজের জন্য রসগোল্লাও অর্ডার করেছিলেন, নিজের টিমকে বলে। তাঁর কথায়, ‘‘কলকাতায় একটা ইতিহাস-ইতিহাস গন্ধ আছে। একটু বেশি সময় পেলে ঘুরে দেখতাম শহরটা। এখানকার ফুচকা শুনেছি খুব টেস্টি! সুযোগ পেলে ফুচকা খাব!’’  

হিন্দি জানেন না। বাবা ইরাকের, মা আফগানিস্তানি। তাই সেটে আলাদা করে ডিকশন টিচার রাখা হয়েছিল তাঁর জন্য। ‘‘আমাকে এক জন গুজরাতি মেয়ের ভূমিকায় দেখা যাবে ‘লাভরাত্রি’তে। এ দিকে আমি ভারতীয় নই। ফলে বাড়তি পরিশ্রম করতে হয়েছে। তবে উচ্চারণের সমস্যার জন্য ওরা আমাকে এনআরআই গুজরাতি বানিয়ে দিয়েছে,’’ হাসতে হাসতে বলে দিলেন ওয়ারিনা। 

শুধু হিন্দি উচ্চারণ নয়, গুজরাতি গরবা নাচের টেকনিকও শিখতে হয়েছিল ওয়ারিনাকে। বললেন, ‘‘নাচের স্টাইলটা একদম আলাদা। ক্লাব সংয়ের আর একটা যে নাচ রয়েছে, সেটাও খুব আলাদা। আমরা সাধারণত ক্লাবে গিয়ে ও রকম নাচ করি না!’’ নিউ ইয়র্কে অভিনয় নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। তার পর মডেলিং করতে করতেই এই ছবিতে সুযোগ। ‘‘আমার তো এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না যে সলমন খানের প্রোডাকশনে কাজ করছি। তবে আমার থেকেও অবাক এবং এক্সাইটেড আমার মা। উনি সলমনের বিরাট ফ্যান!’’ মন্তব্য করলেন ওয়ারিনা।