Advertisement
E-Paper

বর্ষায় বৃষ্টি বাঁচিয়ে ভ্রমণ, ভারতেই আছে তিন স্থান, যেখানে সাধারণত বৃষ্টি হয়ই না

জুলাইয়ে বর্ষার মরসুমেও বৃষ্টি হয় না, এমন স্থানও রয়েছে ভারতে। প্রকৃতির শ্যামলিমা না থাকলেও, স্থানগুলির সৌন্দর্য অবর্ণনীয়। বৃষ্টিহীন এমন তিন পর্যটনকেন্দ্র রাখতে পারেন ভ্রমণসূচিতে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ১১:০১
বর্ষাকালে বৃষ্টি হবে না, এমন জায়গায় বেড়াতে যাবেন? তালিকায় থাকবে কী?

বর্ষাকালে বৃষ্টি হবে না, এমন জায়গায় বেড়াতে যাবেন? তালিকায় থাকবে কী? ছবি:সংগৃহীত।

রিমঝিম বৃষ্টির ধারাপাত কারও কাছে রোম্যান্টিক ঠেকলেও, কারও আবার বৃষ্টিতেই আপত্তি। ভরা বর্ষায় যদি ধস নামে, দিনভর বৃষ্টিতে হোটেলের ঘরেই সেঁধিয়ে যেতে হয়, তা হলে আর কী বেড়ানো হল, এমনটাও ভাবেন কেউ কেউ।

তবে বৃষ্টি বাঁচিয়েও বর্ষায় ভ্রমণ সম্ভব। ভারতেই রয়েছে এমন স্থান, যা শীতল মরভূমির মতোই। যেখানে নিয়ম করে বর্ষাকাল আসে না। জুলাইয়ে ভ্রমণ তালিকায় রাখতে পারেন এমনই তিন স্থান।

লেহ্ এবং লাদাখ

বর্ষাতেও খুব একটা বৃষ্টি হয় না লাদাখে।

বর্ষাতেও খুব একটা বৃষ্টি হয় না লাদাখে। ছবি:সংগৃহীত।

পর্যটনপিপাসুদের কাছে এই জায়গা অত্যন্ত জনপ্রিয়। লাদাখে জুলাইয়ে বৃষ্টি হলেও, তা অতি স্বল্প। সাধারণত ‘শীতল মরভূমি’ হিসাবেই এই স্থান চিহ্নিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা অনেক বেশি হওয়ায় এবং বৃষ্টিপাত হয় না বলেই এখানকার ভূমিরূপ প্রাকৃতিক ভাবে রুক্ষ। বর্ষাতেও এখানে ঠান্ডা থাকে। বৃষ্টি হয় না বলে সমস্ত পর্যটনস্থল খোলা থাকে। রাস্তাতেও বর্ষার জন্য ধসের ভয় থাকে না।

দিল্লি থেকে সরাসরি লেহ্‌ যাওয়ার বিমান মেলে। আকাশপথে গেলে অন্তত দু’টি দিন সেখানে থাকা প্রয়োজন। অধিক উচ্চতার সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় না দিলেই বিপদ। তবে কাশ্মীর এবং হিমাচল প্রদেশ হয়ে সড়কপথেও যাওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে উচ্চতায় ওঠার জন্য শরীর সহজে মানিয়ে নিতে পারে।

লেহ্ এবং লাদাখে অসংখ্য গুম্ফা ছাড়াও দেখার মতো অনেক জায়গা রয়েছে। সেই তালিকায় জুড়তে পারেন প্যাংগং, নুব্রা ভ্যালি, খারদুং লা, ম্যাগনেটিক হিল, সমোরিরি।

লাহুল এবং স্পিতি, হিমাচল প্রদেশ

স্পিতির কাজাও  জুড়ে নিতে পারেন ভ্রমণতালিকায়। কি মনাস্ট্রি।

স্পিতির কাজাও জুড়ে নিতে পারেন ভ্রমণতালিকায়। কি মনাস্ট্রি। ছবি:সংগৃহীত।

হিমাচল প্রদেশের লাহুল এবং স্পিতি উপত্যকায় অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। স্পিতিও রুক্ষ, ঊষর, শীতল। অধিক উচ্চতার জন্য এখানে গাছপালা হয় না। স্পিতি এমনিতেই খুব সুন্দর। রুক্ষ উপত্যকার বুক চিরে চলে গিয়েছে কালো পিচের মসৃণ রাস্তা। এখান থেকে ঘুরে নেওয়া যায় টাবো এবং কি মনাস্ট্রি। টাবো, কাজা এখানকার দু’টি পর্যটকবান্ধব জনপদ। ঘুরে নেওয়া যায় ধংকর মনাস্ট্রিও। কাজা থেকে কুঞ্জুম পাস এবং রোহতাং পাস হয়ে চলে আসা যায় মানালি। চণ্ডীগড় থেকে শিমলা বা রেকংপিয়ো হয়ে কাজা যাওয়া যায়। দীর্ঘ পথ এক দিনে পাড়ি দেওয়া যায় না। শিমলা থেকে কাজার দূরত্ব প্রায় ৪১৭ কিলোমিটার। সারাহান, কল্পা, নাকো হয়ে সেখানে যাওয়া যেতে পারে। প্রতিটি জায়গাই ছবির মতো সুন্দর। প্রতিটি জায়গাতে এক বা দুই রাত করে থাকা যায়।

মাউন্ট আবু, রাজস্থান

মাউন্ট আবুর দিলওয়াড়া মন্দির ।

মাউন্ট আবুর দিলওয়াড়া মন্দির । ছবি:সংগৃহীত।

রাজস্থানের মাউন্ট আবুতেও সেই ভাবে বৃষ্টি হয় না। মাউন্ট আবু পাহাড়ি শহর। ইতিহাস এবং প্রাকৃতিক বৈচিত্রের এক আশ্চর্য সমন্বয় মিলবে এই স্থানে গেলে। সড়কপথে মাউন্ট আবু যাওয়ার সময় দেখতে পাবেন পাথরে আবহবিকারের চিহ্ন। মরু অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি।

এখানকার অন্যতম আকর্ষণ দিলওয়ারা মন্দির। জৈন তীর্থঙ্কর আদিনাথের নামে উৎসর্গীকৃত মন্দিরগুলি একাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীর মধ্যে সোলাঙ্কি রাজবংশের রাজাদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। এ ছাড়াও এখান থেকে ঘুরে নেওয়া যায় নক্কী হ্রদ, টড রক, গুরু শিখর-সহ একাধিক জায়গা। ২-৩ দিন লাগবে মাউন্ট আবু ঘুরতে।

Monsoon travel

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy