দেশের প্রথম বন্দেভারত স্লিপার ট্রেন চালু হল। আর এই প্রথম ট্রেনটি চলবে হাওড়া-কামাখ্যা রুটে। জুড়বে দুই রাজ্য— পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমকে। ছোঁবে দুই রাজ্যের সংস্কৃতিকেও। সম্ভবত তাই বন্দেভারতের প্রথম স্লিপার ট্রেনে পরিবেশিত খাবারেও দুই রাজ্যের স্বাদই চোখে পড়বে। নতুন স্লিপার ট্রেনের যে মেনু প্রকাশ্যে এসেছে, জানা গিয়েছে, তাতে থাকবে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসম— এই দুই রাজ্যেরই জনপ্রিয় খাবারদাবার।
বন্দেভারত স্লিপারের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
হাওড়া থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে রওনা হয়ে পরের দিন সকাল ৮টা ২০ তে কামাখ্যায় পৌঁছবে বন্দেভারত স্লিপার। আবার কামাখ্যা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়া পৌঁছবে ট্রেনটি। ১০০০ কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে ১৪ ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছে দেবে যাত্রীদের। তবে লম্বা সফরে এই প্রথম বন্দেভারতে রাতেও থাকবেন যাত্রীরা। তাই ঘুমোনোর প্রশস্ত জায়গা যেমন থাকবে, তেমনই থাকবে নৈশভোজের বন্দোবস্তও। রাতে বন্দেভারতের যাত্রীদের কী দিয়ে আপ্যায়ন করবে ভারতীয় রেল, তার মেনু জানিয়েছেন, স্বয়ং রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানিয়েছেন, হাওড়া থেকে যে ট্রেনটি কামাখ্যার দিকে রওনা হবে, তাতে থাকবে বাঙালি খাবার দাবার। আর কামাখ্যা থেকে যেটি হাওড়ায় ফিরবে, তার মেনুতে থাকবে অসমের খাবার।
বন্দেভারত স্লিপারে পরিবেশন করা খাবারের প্যাকেট।
বাঙালি মেনুতে যা থাকছে
রেলমন্ত্রী জানাচ্ছেন, বাঙালি মেনুতে থাকবে বাসন্তী পোলাও, ছোলার ডাল বা মুগ ডাল, ঝুরি আলু ভাজা, ছানা বা ধোঁকার ডালনা, লাবড়া, সন্দেশ, রসগোল্লা ইত্যাদি।
অসমের মেনুতে থাকছে
সুগন্ধী জোহা ভাত, মাটি মাহর ডালি, মুসুর ডালি, মরসুমি সব্জির ভাজাভুজি এবং নারকেল বরফি।
এ ছাড়া চা-কফি-জলখাবার তো রয়েছেই। থাকবে ট্রেন থেকে কিনে খাওয়ার সুযোগসুবিধাও। এই মেনুকার্ড আইআরসিটিসির সঙ্গে মিলিত উদ্যোগে তৈরি করেছে গুয়াহাটির মেফেয়ার স্প্রিং ভ্যালি রিসর্ট।