Advertisement
E-Paper

পিঁপড়েকে চিনি খাওয়ালেই নাকি রোগমুক্তি! ডায়াবিটিস কমাতে ‘মধুমেহ মন্দিরে’ ভিড় জমাচ্ছেন ভক্তেরা

চিকিৎসা নয়, শুধু বিশ্বাসের টানে এখানে আসেন মানুষ। ভারতের ‘মধুমেহ মন্দির’ কোথায় রয়েছে জানেন? কী ভাবে পৌঁছবেন সেখানে?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ১৪:৫৫
কোথায় রয়েছে ‘মধুমেহ মন্দির’?

কোথায় রয়েছে ‘মধুমেহ মন্দির’? ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

এই মন্দিরে গেলেই নাকি সেরে যায় ডায়াবিটিস! প্রতি বছর হাজার হাজার দশনার্থী তামিলনাড়ুর কোয়েলভেনির কারুমবেশ্বর মন্দিরে ভিড় করেন রোগমুক্তির আশায়। স্থানীয়দের মধ্যে মন্দিরটি ‘মধুমেহ মন্দির’ বা ‘ডায়াবিটিস মন্দির’ নামেও পরিচিত।

অনেকের কাছেই বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে ভক্তেরা কারুমবেশ্বর মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন এবং একটি বিশেষ রীতি পালন করেন। অনেক ভক্তের দাবি, তাঁরা নাকি সেই মন্দিরে পুজো দিয়ে হাতেনাতে ফলও পেয়েছেন। এখানে প্রচলিত রয়েছে, যাঁরা ডায়াবিটিসে আক্রান্ত, তাঁরা শিবের কাছে আখ, চিনি, মিষ্টি ভাত, অন্যান্য মিষ্টি প্রসাদ নিবেদন করেন। ভক্তদের বিশ্বাস, এতে ভগবান শিব তুষ্ট হন এবং রোগমুক্তির আশীর্বাদ দেন। মন্দিরে শিবলিঙ্গটিও আখ দিয়েই তৈরি। তামিল ভাষায় ‘কারুম্বু’ শব্দের অর্থ হল আখ এবং ‘ঈশ্বর’ অর্থাৎ প্রভু। তাই কারুমবেশ্বর অর্থ ‘আখের দেবতা’।

মন্দিরে শিবলিঙ্গটিও আখ দিয়েই তৈরি।

মন্দিরে শিবলিঙ্গটিও আখ দিয়েই তৈরি। ছবি: সংগৃহীত।

তামিলনাড়ুর তিরুভারুর জেলার এই মন্দিরটির আশেপাশে অনেক বেশি পিঁপড়ের আনাগোনা। মন্দিরে পিঁপড়েকেও পুজো করা হয়। তাদেরকেও চিনি খাওয়ানো হয়। ভক্তরা সুজি আর চিনির মিশ্রণ মন্দিরের আশেপাশে ছড়িয়ে দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঝাঁকে ঝাঁকে পিঁপড়ে এসে সেই চিনি খেয়ে নেয়। প্রচলিত বিশ্বাস পিঁপড়েগুলি যত চিনি খাবে ততই ব্যক্তির শরীরে সুগারের মাত্রা কমবে। এই মন্দির ২০০০ বছরের পুরোনো। শুধু রোগ সারাতেই নয়, অনেকেই এই মন্দিরের ২০০০ পুরনো স্থাপত্য ও শিল্পকলা দেখার জন্য এই মন্দিরে আসেন। সারা ভারত থেকে দর্শনার্থী এই মন্দিরে আসেন। কেউ আসেন রোগ সারাতে, কেউ ইতিহাস জানতে, আবার কেউ ভারতের বিচিত্র এই সংস্কৃতিকে কাছ থেকে দেখার জন্য কৌতূহলবশত এই মন্দির দর্শন করেন।

কী ভাবে পৌঁছোবেন?

বিমানে গেলে সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর হল তিরুচিরাপল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। সেখান থেকে এই মন্দিরে দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার। বিমানবন্দর থেকে বাসে করে বা গাড়ি ভাড়া করে এই মন্দিরে পৌঁছে যেতে পারেন।

মন্দিরের সবচেয়ে কাছের স্টেশন হল নিদামঙ্গলম জংশন। চেন্নাই থেকে বেশির ভাগ ট্রেনই এই স্টেশনে যায়। নিদামঙ্গলম জংশন থেকে এই মন্দিরের দূরত্ব খুবই কম।

এই মন্দিরের আশেপাশে আর কী কী দেখার আছে?

১) তাঞ্জাভুরের বৃহদীশ্বর মন্দির

২) কুম্ভকোনম মন্দির

৩) তিরুভারুর শহর

Tamil Nadu

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy