বৃহস্পতিবার রাত থেকেই আফগানিস্তানের আকাশ জুড়ে আলোর ঝলকানি। মুহুর্মুহু বিস্ফোরণের শব্দ। আফগানিস্তানের কাবুল, কন্দহর, পাকটিকায় আকাশপথে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। সীমান্ত জুড়ে দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন। ইসলামাবাদের হামলার পর হাত গুটিয়ে বসে নেই তালিবান। পাকিস্তানের ড্রোন ও বিমানহামলার জবাবে আফগান বাহিনী ডুরান্ড লাইনে পাকিস্তানি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে লেজ়ার নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র ও উন্নত প্রযুক্তির নাইট-ভিশন সরঞ্জাম ব্যবহার করে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে। সেই হামলারই একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে সমাজমাধ্যমে। যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় আছড়ে পড়ছে একের পর এক বোমা। কানফাটানো গুলির আওয়াজও শোনা গিয়েছে ভিডিয়োয়। পাক-আফগান সীমান্ত জুড়ে চলছে গুলি বিনিময়। লেজ়ার নিয়ন্ত্রিত বন্দুক থেকে একের পর এক গুলি ধেয়ে যাচ্ছে পাক সেনাছাউনি লক্ষ্য করে। রাতের আকাশে শুধুই আলোর ফুলকি। তালিবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, তাঁরা লেজ়ার-সজ্জিত বিশেষ ইউনিট ব্যবহার করে পাকিস্তানি সামরিক ঘাঁটিগুলিতে রাতের আঁধারে হামলা চালাচ্ছেন। সেই ভিডিয়োটিই প্রকাশ্যে এসেছে এক্স হ্যান্ডলে। ‘ফিতরৎহামদ’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে।
কাবুলের পাল্টা হানায় পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। যদিও এই পরিসংখ্যান মানতে রাজি নয় ইসলামাবাদ। তাদের পাল্টা দাবি, দুই পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। উল্টো দিকে মারা গিয়েছেন ৩৬ জন আফগান সেনা। আফগান বাহিনী পাকিস্তানি সীমান্তরক্ষীদের উপর হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পর, তালিবান সরকার জানিয়েছে, বিমানহানার প্রতিশোধ নিচ্ছে তারা। কাবুলের দাবি, পাকিস্তানই প্রথমে আফগান সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালানো শুরু করে।