নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য আজকাল প্রায় সকলেই নির্ভর করে থাকেন অনলাইন ডেলিভারি সংস্থাগুলির উপর। এতে বাড়ি থেকে বেরোনোর ঝামেলা থাকে না, সময়ও বাঁচে। আর তা ঘটে দায়িত্ববান ডেলিভারি কর্মীদেরই দৌলতে। দায়িত্ব সহকারে দোরগোড়ায় চাহিদামতো জিনিস পৌঁছে দেন তাঁরা। সে কারণেই তাঁদের সে কাজকে গুরুত্ব দেন প্রায় সকলেই। সম্প্রতি একটি ভিডিয়োয় তেমনই এক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন এক ডেলিভারি কর্মী। তা দেখে মন ভরে উঠেছে নেটাগরিকদেরও।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে এক তরুণকে। তাঁর পরনে রয়েছে একটি অনলাইন ডেলিভারি সংস্থার পোশাক। একটি সাইকেলে বসে রয়েছেন তিনি। এর পর নিজের মোবাইল ফোন থেকে তিনি দেখান যে এক গ্রাহককে ১৫ টাকা ৫৫ পয়সার একটি জিনিস ডেলিভারি দিয়েছেন। আর পেয়েছেন ৫০০ টাকা বখশিশ।
ওই তরুণকে বলতে শোনা যায়, যে এত টাকা তিনি আয়ও করেন না। খুব বেশি হলে ২ দিনে এই আয় হয় তাঁর। এর পর আবার নিজের মোবাইলের স্ক্রিনে তিনি দেখান ৯৭ টাকা ৮৯ পয়সা আয় হয়েছে তাঁর। যাঁকে জিনিস ডেলিভারি দিতে গিয়েছিলেন, তাঁকে ‘দিদি’ সম্বোধন করে বার বার ধন্যবাদ জানান তরুণ। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
‘মিস্মালিনীট্রেন্ডিং’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়তেই ওই মহিলার উদারতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছে নেটপাড়া। ২৩ হাজারের বেশি নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখেছেন। অনেকে শেয়ারও করেছেন। ভিডিয়োটিতে ভালবাসার চিহ্ন এঁকে দিয়েছেন বহু সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী, অনেকে মন্তব্যও করেছেন। প্রায় সকলেই ওই অচেনা মহিলাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ডেলিভারি কর্মীরা যে এত অল্প আয় করেন, সে বিষয়ে কোনও ধারণাই ছিল না তাঁর। ডেলিভারি কর্মীদের পরিশ্রমের তুলনায় এত কম পারিশ্রমিকের বিষয়েও প্রতিবাদ করেছেন অনেকেই।