বর্ষবরণের রাতে গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলেন লখনউয়ের এক থানার সাব-ইনস্পেক্টর। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেক রাস্তাই ব্যারিকেড দিয়ে ঘেরা ছিল। কিন্তু ট্রাফিক নিয়ম মানতে রাজি নন তিনি। ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে ঝগড়া করে ট্রাফিক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গাড়ি নিয়ে সোজা ব্যারিকেডে গিয়ে ধাক্কা মারলেন ওই পুলিশকর্মী। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পৌঁছোলে গাড়ির ভিতর তল্লাশি নেওয়া হয়। উদ্ধার হয় প্রচুর মদের বোতল। ঘটনাস্থলেই ওই সাব-ইনস্পেক্টরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
আরও পড়ুন:
‘মেঘ আপডেটস’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, একটি গাড়ি ঘিরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন পুলিশ এবং ট্রাফিককর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে অনবরত তর্ক করে চলেছেন এক সাব-ইনস্পেক্টর। তাঁর গাড়ির চাবি পুলিশ নিয়ে নিয়েছে। চিৎকার করে গাড়ির চাবি চাইছেন ওই সাব-ইনস্পেক্টর। এই ঘটনাটি বর্ষবরণের রাতে লখনউয়ের হজরতগঞ্জ ক্রসিংয়ের কাছে ঘটেছে।
ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য রাস্তায় অনেক জায়গায় ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রেখেছিল ট্রাফিক পুলিশ। রাত সাড়ে ১২টার সময় সেই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন এক সাব-ইনস্পেক্টর। পুলিশ সূত্রে খবর, সেই সাব-ইনস্পেক্টরের নাম অমিত জয়সওয়াল। লখনউয়ের বরাবাঁকি থানায় কর্মরত তিনি। বুধবার রাতে নিজের গাড়ি নিয়ে সাদা পোশাকেই ব্যস্ত রাস্তায় বেরিয়েছিলেন তিনি।
অভিযোগ, ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা ঘিরে দেওয়ার কারণে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে ঝগড়া শুরু করেন অমিত। ট্রাফিক নিয়ম না মেনে ব্যারিকেডে গাড়ি নিয়ে ধাক্কা মারেন তিনি। গাড়ি চালিয়ে দ্রুত সেখান থেকে পালানোর চেষ্টাও করেন। কিন্তু পুলিশ তাঁর পিছনে ধাওয়া করে গাড়িটিকে আটক করে।
ঘটনাস্থলে ডিসিপি পৌঁছোলে তাঁর সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেন অমিত। অমিতের গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর মদের বোতল পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলেই অমিতকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন কি না, তা পরীক্ষা করতে তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আইনি পদক্ষেপও করা হয়েছে।