Advertisement
E-Paper

দেহ স্বামীর, দাবি মহিলার

শুক্রবার বিকেলে বনগাঁর চড়ুইগাছি এলাকার জিয়ালা খাল থেকে পচাগলা দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বুধবার দুপুরে খালের জলে পাট পচাতে গিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি কচুরিপানার নীচে দেহটি দেখেছিলেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ অগস্ট ২০১৭ ০২:২৭
লাভলি ইয়াসমিন। —নিজস্ব চিত্র।

লাভলি ইয়াসমিন। —নিজস্ব চিত্র।

অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের দেহ তাঁর স্বামীর বলে দাবি করলেন এক বাংলাদেশি মহিলা। ওই ব্যক্তি আবার সে দেশে দাগি দুষ্কৃতী বলে জানিয়েছেন মহিলা নিজেই।

শুক্রবার বিকেলে বনগাঁর চড়ুইগাছি এলাকার জিয়ালা খাল থেকে পচাগলা দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বুধবার দুপুরে খালের জলে পাট পচাতে গিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি কচুরিপানার নীচে দেহটি দেখেছিলেন। গ্রামবাসীরা কেউ তাঁর কথায় গুরুত্ব দেয়নি। শুক্রবার কয়েকজন বাসিন্দা দেখেন, সত্যিই দেহ ভাসছে। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

শুক্রবার বিকেলে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে আসেন লাভলি ইয়াসমিন নামে বাংলাদেশি এক মহিলা। দেহ দেখে তিনি দাবি করেন, সেটি তাঁর স্বামী মর্কেচুর রহমান ওরফে নান্নুর। তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ লাভলির। তাঁর দাবি, স্বামীর বাঁ পায়ের কড়ে আঙুল কাটা ছিল। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরও কড়ে আঙুল নেই। তিনি থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘তদন্ত শুরু হয়েছে।’’ ওই মহিলা পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের যশোর জেলার ঘোজারহাট শ্যামনগর এলাকায়। দেড় বছর আগে চোরাপথে পালিয়ে এ দেশে এসে বনগাঁর বোয়ালদহ এলাকায় বাসা ভাড়া নেন স্বামী। বাংলাদেশে থেকে যান লাভলি। স্বামীর নামে খুন-সহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে বলেও লাভলি জানিয়েছেন পুলিশকে।

কিছু দিন আগে নান্নু স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ একেবারে বন্ধ করে দেন। সন্দেহ হওয়ায় পাসপোর্ট-ভিসা নিয়েই লাভলি এ দেশে আসেন স্বামীর খোঁজে। কিন্তু যে ঠিকানা জানতেন, সেখানে গিয়ে স্বামীর খোঁজ পাননি। এরপরে বনগাঁ থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করেন।

Crime
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy