Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

একশো দিনের প্রকল্পে কাজ করে টাকা না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা। বাসন্তী ব্লকের ভরতগড় গ্রাম পঞ্চায়েতে গত সাত-আট মাসে একশো দিনের কাজের প্রকল্পে একটি কবরস্থান সংস্কার ও মাটি কাটার কাজ করেছিলেন শ্রমিকেরা। ওই প্রকল্পে কাজ করেছিলেন হায়দার মল্লিক, উত্তম মণ্ডল।

শেষ আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০১৪ ০০:১২

১০০ দিনের প্রকল্পের কাজে বকেয়া টাকা, ক্ষোভ শ্রমিকদের

নিজস্ব সংবাদদাতা • বাসন্তী

একশো দিনের প্রকল্পে কাজ করে টাকা না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা। বাসন্তী ব্লকের ভরতগড় গ্রাম পঞ্চায়েতে গত সাত-আট মাসে একশো দিনের কাজের প্রকল্পে একটি কবরস্থান সংস্কার ও মাটি কাটার কাজ করেছিলেন শ্রমিকেরা। ওই প্রকল্পে কাজ করেছিলেন হায়দার মল্লিক, উত্তম মণ্ডল। তাঁরা বলেন, “একশো দিনের কাজের প্রকল্পে মাটি কাটার কাজ করেছিলাম। কিন্তু প্রায় আটমাস পরেও কোনও টাকা পাইনি। ঈদ এবং পুজোর আগে এই টাকা দিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। এখন পালা-পার্বণ চলে গেলেও টাকা পাচ্ছি না। এমনকী, কবে টাকা পাব তার কোনও সদুত্তরও নেই।” স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ব্লকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে পঞ্চায়েতে ডামাডোল চলছে। সে কথা অবশ্য মানতে চাননি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে প্রধান এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ করতে ব্যর্থ বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। পঞ্চায়েত প্রধান মমতাময়ী মণ্ডল বলেন, “এই পঞ্চায়েতের অধিকাংশ জবকার্ডধারীর অ্যাকাউন্ট পোস্ট অফিসে। আগে চেকের মাধ্যমে টাকা আসত। এখন সরাসরি ওই প্রকল্পে কাজ করা জবকার্ডধারীদের অ্যাকাউন্টে দিয়ে দেওয়ার নিয়ম হয়েছে। এখানে আমার কোনও হাত নেই।” এ দিকে, টাকা না পেয়ে দুর্গাপুজোর আগে একবার বিক্ষোভ দেখিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে দিয়েছিল শ্রমিকেরা। কিন্তু পরে বাসন্তী ব্লকের বিডিও-র হস্তক্ষেপে তালা খুলে দেওয়া হয়। অবিলম্বে টাকা না পেলে ফের পঞ্চায়েতে তালা লাগিয়ে মেরে বিক্ষোভ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বহু শ্রমিক। এ প্রসঙ্গে বিডিও কওসর আলি বলেন, “ওই পঞ্চায়েতে টাকা নিয়ে মানুষের মনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ঠিকই। কিন্তু এখন নিয়ম হল, সরাসরি টাকা জবকার্ডধারীদের অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। তবে শুনেছি পোস্ট অফিস ওই দায়িত্ব নিতে চাইছে না। তাই হয় তো এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে।” তবে সমস্যা কবে মিটবে, সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট ভাবে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

রিভলভার-সহ গ্রেফতার দুষ্কৃতী

নিজস্ব সংবাদদাতা • বসিরহাট

আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সেতুর উপর দাঁড়িয়ে থাকা কুখ্যাত এক দুষ্কৃতীকে তাড়া করে ধরল মিনাখাঁ থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে মালঞ্চ সেতু এলাকার ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, মিনাখাঁর বেদেমারি গ্রামের বাসিন্দা ওই দুষ্কৃতীর নাম নূর আহমেদ। তার কাছ থেকে একটি গুলি-ভর্তি রিভলভার বাজেয়াপ্ত করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতে মিনাখাঁর মালঞ্চ সেতুর উপর টহলরত পুলিশ সন্দেহজনক এক জনকে অন্ধকারের মধ্যে লুকোতে দেখে। তাড়া খেয়ে ক্রমাগত পালাতে থাকলে তাকে গুলি ছোড়ার হুমকি দেয় পুলিশ। তখন ভয়ে ধরা দেয় নূর। তার বিরুদ্ধে পুলিশের খাতায় একাধিক ডাকাতি, ছিনতাই এবং ভয় দেখিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলা আদায়ের অভিযোগ আছে। থানায় এনে জেরা করার সময়ে তার পকেট থেকে একটি গুলি-ভর্তি রিভলভার উদ্ধার হয়। এ দিনও ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই সেতুতে সে লুকিয়েছিল বলে জেরায় স্বীকার করে। অন্য দিকে, দেশি পাইপগান-সহ এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করল হাবরা থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় বাণীপুর শ্মশান এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম তাপস দাস। বছর পঁচিশের ওই যুবকের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ এলাকায়।

গাইঘাটায় ধৃত ১৩ বাংলাদেশি

নিজস্ব সংবাদদাতা • গাইঘাটা

বিএসএফ ও পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড়ের মধ্যেও বনগাঁ মহকুমার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ চলছে রমরমিয়ে। গাইঘাটা থানার সামনে যশোহর রোডে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ১৩ জন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাদের ধরা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতেরা বাংলাদেশের যশোহরের বাসিন্দা। জেরায় তারা জানিয়েছে, পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে দালালের মাধ্যমে এ দেশে ঢুকেছিল। দালালকে সে জন্য ৪ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে। বনগাঁ-দক্ষিণেশ্বর রুটের বাসে চেপে তারা হাওড়া স্টেশনে যাচ্ছিল। সেখান থেকে মুম্বই যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। মূলত ঠিকাশ্রমিকের কাজ খুঁজতেই ভিনদেশে আসা বলে জেরায় জানিয়েছে সকলে। ধৃতদের মধ্যে তিন জন মহিলা। শুক্রবার তাদের বনগাঁ আদালতে তোলা হলে বিচারক সকলকে ১৪ দিনের জেলহাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, দালালদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

২১ কেজি গাঁজা-সহ গ্রেফতার বাংলাদেশি

নিজস্ব সংবাদদাতা • বসিরহাট

কয়েক কেজি গাঁজা-সহ কুখ্যাত এক বাংলাদেশি দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে বাদুড়িয়া থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় আড়বালিয়া বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে ধৃত শেখ মনিরুল নামে বাংলাদেশের সাতক্ষীরার বাসিন্দা ওই ব্যক্তিকে ধরা হয়। শুক্রবার বারাসত আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে চোদ্দ দিনের জেলহাজতে রাখার নির্দেশ দেন। পুলিশ জানায়, এ দিন রাত ৯টা নাগাদ এক সূত্রে খবর মেলে, স্থানীয় আড়বালিয়া বাস স্ট্যান্ডের কাছে প্রচুর পরিমাণ গাঁজা-সহ এক বাংলাদেশিকারও জন্য অপেক্ষা করছে। খবর পাওয়া মাত্র বাদুড়িয়া থানার ওসি বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পুলিশ আসতে দেখে সঙ্গীটি পালাতে সক্ষম হলেও ধরা পড়ে মনিরুল। তার কাছ থেকে ২১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। জেরায় সে জানিয়েছে, ওই গাঁজা বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাদক-সহ সীমান্ত চোরা চালানের সঙ্গে যুক্ত শেখ মনিরুলের খোঁজে বেশ কিছু দিন ধরে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল।

গাইঘাটায় চোলাই-সহ ধৃত

নিজস্ব সংবাদদাতা • গাইঘাটা

প্রচুর চোলাই-সহ এক কারবারিকে গ্রেফতার করল গাইঘাটা থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় রামপুর মোড় এলাকার যশোহর রোডে অভিযান চালিয়ে ওই কারবারিকে ধরা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম সঞ্জিত দাস। সে ঘোলা থানার দক্ষিণ তালবান্দা এলাকার বাসিন্দা। তাকে জেরা পুলিশ জানতে পেরেছে, বনগাঁর একটি জায়গায় চোলাই মদ দিতে যাচ্ছিল ওই কারবারি। পুলিশ একটি গাড়ি আটক করেছে। কোথায় চোলাই পাঠানো হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের দেহ উদ্ধার জয়নগরে

নিজস্ব সংবাদদাতা • ক্যানিং

অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করল পুলিশ। শুক্রবার সকালে জয়নগরের তারানগর এলাকা থেকে দেহটি উদ্ধার হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, তারানগরের খাল পাড়ের নির্জন রাস্তার ধারে যুবকের দেহটি পড়ে থাকতে দেখে লোকজন। পরে পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে কাঁটাপুকুর মর্গে ময়না-তদন্তের জন্য পাঠায়। পুলিশের অনুমান, বছর তিরিশের ওই যুবককে মাথায় গুলি করে খুন করা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলায় গামছার ফাঁসও দেওয়া হয়।

southbengal
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy