কখনও লালবাতি জ্বলে থাকছে দীর্ঘ সময়। বাইরের যান চালকেরা থামছেন। কিন্তু স্থানীয় চালকেরা পাশ দিয়ে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। কখনও আবার হলুদ আলো জ্বলছে-নিভছে। বিভ্রান্ত হচ্ছেন অনেকে।
বছর চারেক আগে পরিবহণ দফতরের টাকায় এবং পুরসভার উদ্যোগে অশোকনগরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে বসেছিল স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা। কিন্তু আজও তা চালু হয়নি। যে ভাবে আলোগুলি জ্বলে থাকে তাতে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থেকে যায় বলে মনে করছেন অনেকে। শহরের বাসিন্দাদের অনেকেরই দাবি, আলো জ্বলে থাকা বন্ধ করা হোক বা সিগন্যাল ব্যবস্থা পুরোদমে চালু করা হোক।
অশোকনগর-কল্যাণগড় পুরসভার চেয়ারম্যান প্রবোধ সরকার জানিয়েছেন, সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করতে দ্রুত পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এখন শহরে যান নিয়ন্ত্রণের জন্য পুরসভার কর্মীরা থাকেন। সিভিক ভলান্টিয়াররাও থাকেন।
ওই সিগন্যাল ব্যবস্থা রয়েছে অশোকনগর রেলগেট, বিল্ডিং মোড়, চৌরঙ্গি, ৮ নম্বর কালীবাড়ি মোড়, কচুয়া মোড়, কল্যাণগড় মোড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে। স্থানীয় চালকেরা অবশ্য সে দিকে তাকান না। বিপত্তি হয় বাইরের যান-চালকেরা সিগন্যাল মানলে। কিন্তু কেন এত দিন ধরে সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু হয়নি?
প্রাক্তন পুরপ্রধান সমীর দত্ত বলেন, ‘‘পুলিশের অনুমতি নিয়ে আমরা সিগন্যাল বসিয়েছিলাম। পুলিশকে ব্যবস্থাটি পরিচালনা করতে চিঠি দিই। উত্তর পাইনি।’’ অশোকনগরের প্রাক্তন বিধায়ক সত্যসেবী করের ক্ষোভ, ‘‘গোটা টাকাই জলে গিয়েছে। রাস্তায় বের হওয়াটা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।’’