যুব তৃণমূল নেতা মহরম শেখ খুনের পরে তিন দিন কেটে গেলেও মূল অভিযুক্ত রফিক, মিয়ারব মণ্ডল, মনিরুল শেখরা ধরা পড়েনি। যার জেরে মঙ্গলবার দুপুরে উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। অভিযুক্ত দু’জনের বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায় জনতা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মঙ্গলবার সকালে ক্যানিং ১ ব্লক যুব তৃণমূলের নেতারা ক্যানিং থানায় আসেন তদন্তের গতিপ্রকৃতি জানতে। সেখানে এসডিপিও গোবিন্দ শিকদার ও আইসি আতিবুর রহমানের সঙ্গে কথা হয় তাঁদের। পুলিশের তরফে জানানো হয়, মূল অভিযুক্ত রফিক-সহ বাকিদের গ্রেফতারের জন্য তল্লাশি চলছে। ইতিমধ্যে ধরা পড়েছে ৬ জন।
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর আসে, মহরমের বাড়ির কাছে মিয়ারব ও মনিরুলের বাড়িতে চড়াও হয়েছে জনতা। ভাঙচুর চালানো হয় সেখানে। উত্তেজনা থাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার যে তিন জন ধর পড়েছে, তাদের মধ্যে এফআইআরে নাম ছিল মামুদ আলি সর্দারের। ধরা পড়েছে আকবর গাজি এবং আক্কাস গাজি নামে আরও দু’জন। এরা রফিকের আত্মীয় বলে পুলিশ সূত্রের খবর। খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত অটোটি সোমবার রাতে আটক করেছে পুলিশ। জয়নগর থানার খাকুরদহ এলাকা থেকে সেটি খুঁজে পাওয়া যায়।
শনিবার রাতে ক্যানিংয়ের বাণীবাঁধা বেলেখালি গ্রামে নিজের বাড়ির সামনেই এলাকার যুব তৃণমূল নেতা মহরম শেখকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ ওঠে রফিক শেখ ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। দশজনের নামে এফআইআর হয়। ঘটনার পর থেকে রফিক-সহ মূল অভিযুক্তেরা পলাতক।