Advertisement
E-Paper

বেড়াতে যাবেন না, নির্দেশ নেতাদের

শিয়রে লোকসভা ভোট। জেলার পাঁচটি লোকসভা আসনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই তাই জোরকদমে ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

সীমান্ত মৈত্র

শেষ আপডেট: ১১ মার্চ ২০১৯ ০৪:৪৯
দেওয়াল-লিখন: শুরু হল বনগাঁয়। ছবি: নির্মাল্য প্রামাণিক

দেওয়াল-লিখন: শুরু হল বনগাঁয়। ছবি: নির্মাল্য প্রামাণিক

শিয়রে লোকসভা ভোট। জেলার পাঁচটি লোকসভা আসনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই তাই জোরকদমে ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

সেই প্রস্তুতিরই ভূমিকা হিসেবে দলীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতা-মন্ত্রীদের নিজেদের এলাকায় আরও বেশি করে জনসংযোগ তৈরি করতে নির্দেশ দেওয়া হল জেলার নেতাদের তরফে। সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে, ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা যেন কোথাও বেড়াতে না যান। দিন কয়েক আগে মধ্যমগ্রামে জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকেও সকলকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দলের জেলা সভাপতি তথা খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘‘জেলার সমস্ত নেতানেত্রী, মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধিদের বলা হয়েছে, ভোট পর্যন্ত তাঁরা যেন এলাকাতেই থাকেন। এই সময়টায় তাঁরা যেন বাইরে কোথাও না যান। কোর কমিটির বৈঠকে আমরা সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কেউ বাইরে বেড়াতে যাব না।’’ দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জনপ্রতিনিধিদের বলা হয়েছে, তাঁরা যেন ২৪ ঘণ্টা মোবাইল খোলা রাখেন। সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়লে ফোন করলে তাঁদের যেন সব সময়ে পান। জেলা নেতৃত্বের তরফে সকলকে অবশ্য এই আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে যে, ভোটের ফল প্রকাশের পর এক মাস বিশ্রাম দেওয়া হবে তাঁদের।

এমনিতেই জেলার পাঁচটি লোকসভা আসন—বনগাঁ, বারাসত, বসিরহাট, দমদম, ব্যারাকপুর শাসকদলের দখলে রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটেও শাসকদল যথেষ্ট ভাল

ফল করেছে।

তার পরেও কেন দলের জনপ্রতিনিধিদের এলাকায় জনসংযোগ বাড়ানোর অনুরোধ করল জেলা নেতৃত্ব?

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, শাসকদলের একাংশের জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় আগের তুলনায় কম সময় দিচ্ছেন। ফলে কিছুটা হলেও তাঁদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ কমেছে। সেই সুযোগটা নিচ্ছে বিজেপি। সেটা জেলা নেতৃত্বের অজানা নয়।

দলীয় কর্মীরা জানান, ‘‘আগে যেসব নেতা জনপ্রতিনিধিরা চায়ের দোকানে আড্ডা দিতেন, হেঁটে এলাকায় ঘুরতেন তাঁদের অনেকেই এখন সেসব বন্ধ করে দিয়ে গাড়ির কাচ তুলে এলাকায় যাতায়াত করেন। এঁদের অনেককেই ফোনেও অনেক সময়ে পাওয়া যায় না। এ সবের জন্য মানুষের মনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।’’ যদিও জেলার নেতারা এমন ঘটনার কথা স্বীকার করছেন না। জ্যোতিপ্রিয় বলেন, ‘‘দলের সকলেই দায়িত্ব নিয়ে নিজেদের এলাকায় ভাল কাজ করছেন। গভীর রাতেও ফোন করে সকলকে পাওয়া যায়।’’

লোকসভা ভোটে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় জয়-পরাজয়ের ক্ষেত্রে মতুয়াদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মতুয়াদের সমর্থন নিজেদের অনুকূলে টানতে তাই ইতিমধ্যেই কর্মসূচি গ্রহণ করে তৃণমূল নেতৃত্ব আসরে

নেমে পড়েছে।

Lok Sabha Election 2019 TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy