ঘর ভাঙার তালিকাতে নাম তোলা নিয়ে শুরু হয় বচসা। অভিযোগ, এরপরেই ঘর থেকে টেনে বের করে এক মহিলা-সহ দু’জনকে মারধর করা হয়। রবিবার হাড়োয়ার বীরেশ্বরপুর গ্রামের দাসপাড়ায় ওই মারামারিতে উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ জানিয়েছে, উভয়পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আমপানে ঘর ভেঙে যাওয়া গরিব মানুষকে সরকার ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে। কিন্তু সেই তালিকায় সবার নাম তোলা হচ্ছে না বলে অভিযোগ হাড়োয়ার গোপালপুরের বীরেশ্বরপুর গ্রামের একাংশ মানুষের। এলাকাবাসীর কথায়, ‘‘এ বিষয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ থামাতে এ দিন তৃণমূল আশ্রিত কয়েকজন গ্রামে হামলা চালায়।’’ বিজেপি করার ‘অপরাধে’ তুফান রুইদাসের স্ত্রী প্রতিমাকে ঘর থেকে টেনে বাইরে বের করে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ গ্রামে গিয়ে প্রতিমাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। তুফান বলেন, ‘‘যাঁরা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত তাঁদের বাদ দিয়ে, যাঁদের বাড়িঘরের কিছুই হয়নি তাঁদের টাকা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে তৃণমূলের লোকজন বাড়িতে চড়াও হয়ে আমার স্ত্রীকে মারধর করে।’’ হাড়োয়ার তৃণমূল নেতা সঞ্জু বিশ্বাস বলেন, ‘‘ঘরের ক্ষতিপূরণের টাকা পাওয়ার তালিকাতে নাম তোলাকে কেন্দ্র করে একই পাড়ার কয়েকজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। তাতে উভয় পক্ষেরই দু’জনের মাথা ফেটেছে। দু’পক্ষের তরফেই থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।’’