সাংসদের অনুরোধ ফেরালেন না বসিরহাট কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খাইরুল আলম।
শনিবার খাইরুলকে বসিরহাটের সাংসদ ইদ্রিশ আলি বলেন, ‘‘কলেজ পরিচালনার দায়িত্ব আপনাকেই নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, কোনও নোংরা রাজনীতিকে কখনওই প্রশয় দেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রী।’’ ইদ্রিশের দাবি, তাঁর কথাতেই পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করেছেন খাইরুল। সকলের অনুরোধেই তিনি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছেন বলে জানিয়েছেন খাইরুলও।
গত কয়েক মাস ধরে বসিরহাট কলেজের পঠনপাঠন-সহ নানা বিষয় নিয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ-সহ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছিল। দাবিগুলি নিয়ে সাধারণ সভায় আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন খাইরুল। কিন্তু বার বার পিছিয়ে যাচ্ছিল বৈঠকের তারিখ। যা নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে আরও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল।
৮ সেপ্টেম্বর খাইরুল ‘শারীরিক কারণ’ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দেন। রাজনৈতিক শিবিরের একটি অংশ জানাচ্ছে, সম্প্রতি কলেজ হাসপাতাল এবং পুরসভায় কয়েকটি খালি পদে কর্মী নিয়োগকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কলেজে সাধারণ সভায় কর্মী নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে তীব্র বাদানুবাদের পরিস্থিতি ঘনানোর আশঙ্কা ছিল। এক দিকে রাজনৈতিক চাপ, অন্য দিকে নিয়োগ নিয়ে মাথাচাড়া দেওয়া সমস্যা— এই দু’য়ের শাঁড়াশি চাপেই খাইরুল পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের মত। তা নিয়ে অবশ্য আগে মন্তব্য করেননি খাইরুল।