Advertisement
E-Paper

বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু গোয়ায়! তদন্তের দাবি পরিবারের

দেবানন্দ হাসনাবাদ থানার হাসনাবাদ রেলগেট সংলগ্ন রামকৃষ্ণপল্লি এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে গোয়ায় কাজ করতেন তিনি। তাঁর বাড়িতে বাবা এবং মা থাকেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:৪৮

— প্রতীকী চিত্র।

আবার ভিন্‌রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। মৃতের নাম দেবানন্দ সানা (৩৬)। গোয়ায় কাজ করতেন তিনি। অভিযোগ, দেবানন্দকে গত বুধবার পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছিল। তার পর সেখানকার স্থানীয় হাসপাতাল থেকে পরিবারের কাছে ফোন করে বলা হয়, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দু’দিন পরে আবার সেই হাসপাতাল থেকেই ফোন করে পরিবারকে জানানো হয় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কী কারণে পুলিশ দেবানন্দকে ধরে নিয়ে গেল আর কী ভাবেই তাঁর মৃত্যু হল তা নিয়ে সদস্যদের মধ্যে ধোঁয়াশা দেখা গিয়েছে। পরিবারের তরফ থেকে পুলিশের কাছে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি করা হয়েছে।

দেবানন্দ হাসনাবাদ থানার হাসনাবাদ রেলগেট সংলগ্ন রামকৃষ্ণপল্লি এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে গোয়ায় কাজ করতেন তিনি। তাঁর বাড়িতে বাবা এবং মা থাকেন। পরিবার সূত্রে খবর, গত ২৩ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) প্রতিদিনের মতো কাজ করতে যাওয়ার আগে মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয় দেবানন্দের। এর পর তাঁর সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। পরের দিন অর্থাৎ বুধবার সেখানকার এক হাসপাতাল থেকে ফোন করে দেবানন্দের মাকে জানানো হয় যে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভাস্কো থানার পুলিশ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দিয়েছে। দু’দিন পরে, অর্থাৎ শুক্রবার সেই হাসপাতাল থেকেই তাঁর পরিবারকে আবার ফোন করে জানানো হয় যে, দেবানন্দের মৃত্যু হয়েছে। আর্থিক অনটনে থাকা ওই পরিবারে একমাত্র উপার্জন করতেন দেবানন্দ। তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুতে কার্যত দিশাহারা পরিবার।

এই ঘটনার পর দেবানন্দের মা কমলা সানা স্থানীয় টাকি পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুনীল সর্দারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সুনীল তৎপর হয়ে হাসনাবাদ থানার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে গোয়ার ভাস্কো থানার সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে গিয়ে হাসনাবাদ থানার উদ্যোগে সমস্ত নিয়মকানুন অনুযায়ী দেবানন্দের দেহের ময়নাতদন্ত হয়। ময়নাতদন্তের পর শুক্রবার তাঁর দেহ কফিনবন্দি অবস্থায় বাড়িতে ফিরে আসে।

দেবানন্দের মা ও দিদি রুমা সানার প্রশ্ন, কী কারণে পুলিশ তাঁকে থানায় নিয়ে যায় এবং কেন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়? পুলিশের কাছে যুবকের রহস্যমৃত্যুর তদন্তের দাবি জানিয়েছে পরিবার। গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে হাসনাবাদ থানার পুলিশ।

migrant labour Bengali Migrant Worker Death Case police investigation
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy