Advertisement
E-Paper

Medinipur: চোর সন্দেহে খুঁটিতে বেঁধে মারধর নাবালিকাকে, ফের অমানবিকতার ছবি, এ বার মেদিনীপুরে

সমাজকর্মীরা বলছেন, এক দল মানুষের উপর এমন চরম অমানবিক আচরণের ছবি অভিপ্রেত নয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ নভেম্বর ২০২১ ১৬:৩৮
মেদিনীপুর শহরে চুরির অভিযোগে বেঁধে রেখে নির্মম অত্যাচার চালানো হল এক নাবালিকার উপর।

মেদিনীপুর শহরে চুরির অভিযোগে বেঁধে রেখে নির্মম অত্যাচার চালানো হল এক নাবালিকার উপর। নিজস্ব চিত্র

চরম অমানবিকতার ছবি ধরা পড়ল মেদিনীপুর শহরে। চুরি ও হামলার অভিযোগে প্রকাশ্য রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেঁধে রেখে নির্মম অত্যাচার চালানো হল এক নাবালিকার উপর। প্রায় দু’ঘণ্টা পর আহত অবস্থায় পুলিশ এসে উদ্ধার করে ওই নাবালিকাকে।

দিন কয়েক ধরেই মেদিনীপুর শহরের রবীন্দ্রনগর এলাকায় বেড়েছে চুরির ঘটনা। রবিবার সকালে একদল নাবালিকাকে এলাকায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। চোর সন্দেহে তাদের ধাওয়া করেন একটি নির্মাণকার্যের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক যুবক। তাঁর অভিযোগ, কিছু দূর এগিয়ে যাওয়ার পরই ওই নাবালিকারা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে। এই গণ্ডগোলের মধ্যে অকুস্থলে হাজির হন স্থানীয় কয়েক জন। তাঁরা এক নাবালিকাকে পাকড়াও করেন। সেখানেই না থেমে রাস্তার ধারে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বেঁধে ওই নাবালিকার উপর চলে মারধর, অত্যাচার। তার পর ওই অবস্থায় প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে ওই ভাবে পড়েছিল নাবালিকা। পরে সংবাদমাধ্যমের হস্তক্ষেপে ঘটনাস্থলে আসে মেদিনীপুরের কোতোয়ালি থানার পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, এলাকায় পাতা কুড়িয়ে দিন যাপন করে ওই নাবালিকারা। তাদের ঝুড়িতে দু’টি রডের টুকরো দেখেই চোর সন্দেহ করা হয়। যদিও ইট ছোড়ার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে ওই নাবালিকা। আপাতত ওই নাবালিকা পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে।

মেদিনীপুর শহরের বুকে এমন ছবি দেখে শিউরে উঠছেন অনেকেই। সমাজকর্মীরা বলছেন, এক দল মানুষের উপর এমন চরম অমানবিক আচরণের ছবি অভিপ্রেত নয়। এতে আগামিদিনে সমাজের অবক্ষয়ের ছবি ধরা পড়বে। প্রসঙ্গত, এর আগে কলকাতায় দেখা গিয়েছিল এক যুবককে রাস্তায় ফেলে পা দিয়ে আঘাত করছেন এক সিভিক পুলিশ। ওই ঘটনায় আলোড়ন তৈরি হয়েছিল পুলিশ মহলে। এ বার ফের একই ধরনের ঘটনা ঘটল রাজ্যেরই আরেক শহরে।

Medinipur medinipur town police Snatching
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy