Advertisement
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Ration Distribution Case

ভুয়ো শিবির করে ভুয়ো কৃষকদের থেকে ধান কিনতেন বাকিবুর! কোর্টে দাবি ইডির

ইডি সূত্রে খবর, শিবির না করে সরাসরি কৃষকদের থেকে কম দামে ধান কিনতেন বাকিবুর এবং তাঁর মতো মিল মালিকেরা।

image of bakibur Rahman

বাকিবুর রহমান। — ফাইল চিত্র।

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০২৩ ১৫:৫৫
Share: Save:

ভুয়ো শিবির করে ভুয়ো চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার ভান করতেন বাকিবুর রহমান! প্রশাসনের নজর এড়িয়ে ব্যবহার করা হত আধিকারিকদের সিল। এ ভাবে খাদ্য দফতরের কাছ থেকে টাকা আদায় করতেন বাকিবুর। বুধবার আদালতে হাজির করানো হয় রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বাকিবুরকে। সেখানে এমন দাবিই করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। যদিও বাকিবুরের আইনজীবী এই অভিযোগ মানেননি। ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে রেশন ব্যবসায়ী বাকিবুরকে।

রেশনে বণ্টনের জন্য প্রশাসন যে ধান কেনে, তার জন্য শিবির করা হয়। সেখানে কোঅপারেটিভ সোসাইটি, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং কল মালিকদের উপস্থিতিতে কৃষকদের থেকে ধান কেনা হয়ে থাকে। ইডি সূত্রে খবর, শিবির না করে সরাসরি কৃষকদের থেকে কম দামে ধান কিনতেন বাকিবুর এবং তাঁর মতো মিল মালিকেরা। তার পর ভুয়ো সমবায় সমিতি, ভুয়ো শিবিরের নাম করে সেই চাল এমএসপি-তে (ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে) ভুয়ো কৃষকদের থেকে কিনেছে মিল গুলিই। অনেক ক্ষেত্রেই প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নিজেরাই আধিকারিকদের সিল ব্যবহার করে এই কাজ করতেন বলে দাবি ইডির।

ইডি সূত্রে খবর, বাকিবুরের সঙ্গে যুক্ত একাধিক মিলে তল্লাশি চালিয়ে ১০৯টি সিল উদ্ধার হয়েছে। যার মধ্যে চিফ ইন্সপেক্টর, ডিসি (এফ এন্ড এস) উত্তর ২৪ পরগনা, পার্চেস অফিসার ডিসি (এফ এন্ড এস) উত্তর ২৪ পরগনা-সহ একাধিক পদের নাম লেখা সিল পাওয়া গিয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই সিলগুলি বাকিবুরের লোকজনই ব্যবহার করতেন।

ইডির আইনজীবী ভাস্কর প্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, ‘সমবায় সমিতির ছায়া’তেই এই দুর্নীতি হয়েছে। যদিও বাকিবুরের আইনজীবী আদালতে বাকিবুরকে নিরাপরাধ বলে দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কোনও চাষি এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে অভিযোগ জানাননি।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE