Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৪ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

দ্বাদশী পর্যন্ত জিটি রোডে শুধু বাইক

পঞ্চমীর রাত থেকেই থিকথিকে ভিড় রাস্তায়। পুজো মণ্ডপের সামনে মানুষের লাইন, রাস্তাতে লাইন দিয়েছে গাড়ি। যান নিয়ন্ত্রণ করতে পথে নেমে পড়েছে বর্ধম

নিজস্ব সংবাদদাতা
বর্ধমান ০৭ অক্টোবর ২০১৬ ০২:১৯
Save
Something isn't right! Please refresh.
পঞ্চমীর রাত থেকেই ঠাকুর দেখতে লাইন । বর্ধমান শহরে তোলা নিজস্ব চিত্র।

পঞ্চমীর রাত থেকেই ঠাকুর দেখতে লাইন । বর্ধমান শহরে তোলা নিজস্ব চিত্র।

Popup Close

পঞ্চমীর রাত থেকেই থিকথিকে ভিড় রাস্তায়।

পুজো মণ্ডপের সামনে মানুষের লাইন, রাস্তাতে লাইন দিয়েছে গাড়ি। যান নিয়ন্ত্রণ করতে পথে নেমে পড়েছে বর্ধমান জেলার পুলিশ। নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশের দাবি, পুজোর সময় ইভটিজিংয়ের অভিযোগ পাওয়া যায় আকছার। ভিড়ের মধ্যে ‘রোমিও’দের খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে দাঁড়ায়। এ বার তাই ‘রোমিও’দের খুঁজে বের করতে গোটা জেলা জুড়ে সাদা পোশাকের মহিলা পুলিশ ঘুরে বেড়াবে। শুধু তাই নয়, বর্ধমানের মহিলা থানার আইসি-র নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল বৃহস্পতিবার থেকে এক সপ্তাহ ধরে জেলার ১৯টি থানাতেই ঘুরতে শুরু করেছে। জেলা পুলিশ সুপার কুণাল অগ্রবাল বলেন, “শ্লীলতাহানি, ইভটিজিংয়ের ঘটনা রোধ ও সচেতনতা বাড়াতেই বর্ধমানের মহিলা থানার আইসির নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল প্রতিদিন ২-৩টি থানা এলাকায় ঘুরবে।”

Advertisement

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা জেলায় পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ার্স মিলে সাত হাজার কর্মী রাস্তায় থাকবেন। জেলার ২৬টি জায়গায় নাকা করছে পুলিশ। অতিরিক্ত ১২টি গাড়ির মাধ্যমে বিশেষ নজরবন্দির ব্যবস্থা থাকছে জেলা জুড়ে। এ ছাড়াও ভাগীরথী ও দামোদরের ধারে নৌকার উপরেও নজরদারির ব্যবস্থা করেছে পুলিশ।

বর্ধমান থানা সূত্রে জানা যাচ্ছে, জেলা পুলিশের নির্দেশিকা ছাড়াও শহরের জন্য বেশ কিছু অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শহরের ৮টি জায়গাতে যান নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। পঞ্চমী থেকে দ্বাদশী পর্যন্ত শহরের ভিতর দিয়ে যাওয়া জিটি রোডে মোটরবাইক ছাড়া বাকি গাড়ি চলাচলের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বর্ধমান শহরে ১৩টি জায়গায় পুলিশ-সহায়তা বুথ খোলা হচ্ছে। জেলা পুলিশের উদ্যোগে বর্ধমান থানার জন্য শিশুদের পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশের কর্তারা অভিভাবকদের কাছে আবেদন করেছে, শিশুর পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে গলায় ঝুলিয়ে দিন। যাতে কোনও কারণে ছেলেমেয়ে হাতছাড়া হয়ে গেলে শিশুটির পরিচয়পত্রে থাকা নাম, অভিভাবকের নাম ও ফোন নম্বর দেখে সহৃদয় ব্যক্তিরা খোঁজ দিতে পারবেন। এ ছাড়াও জেলা প্রেস ক্লাবের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পুজোর ক’দিন এবং মহরমের সন্ধ্যায় শহরে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা চালু করেছে জেলা পুলিশ। প্রাথমিক চিকিৎসারও ব্যবস্থাও পুলিশ করবে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, রাস্তাতে শুধু নয়, বাড়িতে কেউ অসুস্থ হয়েছে, অথচ ভিড়ের জন্য চিকিৎসাকেন্দ্রে যেতে পারছে না, এমন খবর এলেও তৎক্ষনাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ সুপার বলেন, “বড় বড় পুজোয় সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ছাড়াও পুর এলাকায় রয়েছে সিসি ক্যামেরা। মনিটরের সামনে নজর রাখছেন আমাদের কর্মীরা। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement