তৃণমূল পরিচালিত আরও এক পুরসভায় পুরপ্রধানের ইস্তফা। এ বার শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া পুরসভার পুরপ্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে মহকুমা শাসকের দফতরে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন কমলাকান্ত চক্রবর্তী।
শুধু পুরপ্রধানই নন, শুক্রবার তাঁর সঙ্গে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের পুরসদস্য গুণেন চট্টোপাধ্যায় এবং ১২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরসদস্য ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। ইস্তফা জমা দেওয়ার পর তিন জনই জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ভাবেই তাঁদের ব্যক্তিগত। পদত্যাগী পুরপ্রধান কমলাকান্ত বলেন, ‘‘আমার শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। অসুস্থতার কারণে আমি আর পুরপ্রধানের দায়িত্ব পালন করতে পারছি না। তাই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’
পুরসদস্য ফাল্গুনী জানিয়েছেন, তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। বাড়ির লোকজন তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত। তাই তিনি সদস্যপদ ছাড়তে চেয়েছেন। গুণেনও জানাচ্ছেন, শারীরিক কারণেই ইস্তফা।
২০ ওয়ার্ড নিয়ে তৈরি কাটোয়া পুরসভায় তৃণমূলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। পুরপ্রধানের ইস্তফার সিদ্ধান্তের পর দলের অন্যান্য পুরসদস্য তাঁকে পাশে থাকার এবং সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু কমলাকান্ত বলেছেন, তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবেন না।
যদিও গুণেন এবং ফাল্গুনী শেষমেশ তাঁদের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছেন তৃণমূল সূত্রে খবর। ফলে বর্তমানে পুরপ্রধানের ইস্তফা ঘিরে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে, শুক্রবারই কলকাতার মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। আট বছর ধরে মেয়র ছিলেন তিনি। এ দিনই পূর্ব মেদিনীপুরে জেলা পরিষদের সভাধিপতির পদ ছেড়েছেন উত্তম বারিক।