E-Paper

আহমেদ-গোষ্ঠীকে বাদ দিয়েই কমিটি সিদ্দিকুল্লার

পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যদের তিনিই টিকিট দিয়েছিলে বলে দাবি করেন। এই ভোটে তাঁদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ০৯:২০
বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।

বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। ফাইল চিত্র।

বিরোধী গোষ্ঠীর লোকজনকে বাদ দিয়েই নির্বাচন পরিচালনার জন্য ২৫ জনের ব্লক কমিটি ঘোষণা করলেন মন্তেশ্বরের বিদায়ী বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।

বুধবার কুসুমগ্রামে মহামিছিলের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। কয়েক হাজার মানুষেক জমায়েত হয়।বর্ধমান-নবদ্বীপ রাস্তার দীর্ঘনগর মোড় থেকে কুসুমগ্রাম বাজার পর্যন্ত মিছিলে মন্তেশ্বরে একনায়কতন্ত্র নিপাত যাওয়ার দাবি তোলা হয়। পরে সিদ্দিকুল্লা বলেন, ‘‘কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান প্রমাণ করে কোনও ভয়ের কাছে আর নথি স্বীকার করে থাকতে রাজি নন মন্তেশ্বরের মানুষজন। ব্লকের প্রায় ১০ জন মিলে মন্তেশ্বরের বুকে আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করছেন। তাঁরা সাবধান হয়ে যান। দলের উপকার করতে না পারলে কোনও ক্ষতি করার চেষ্টা করবেন না।’’ বিজেপি ও কংগ্রেসকে দলের একাংশ গোপনে সমর্থনের চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। কুসুমগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে অবৈধ ভাবে প্রত্যেক বাস থেকে চাঁদা আদায় অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেন। পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যদের তিনিই টিকিট দিয়েছিলে বলে দাবি করেন। এই ভোটে তাঁদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেন।

জানা গিয়েছে, ২৫ জনের কমিটিতে কনভেনার হিসাবে মন্তেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আতিকুর রহমান শেখ এবং সহকারী কনভেনার হিসেবে জেলা পরিষদ সদস্য আজিজুল হক ও পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। তাঁরা দাবি করেন, প্রতিটা অঞ্চল থেকে মানুষের যোগদান জয় নিশ্চিত করছে। তবে ব্লক সভাপতি বা যে অঞ্চল সভাপতিরা কমিটিতে ঠাঁই পাননি তাঁদের সঙ্গে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি। ব্লক সভাপতিও ফোন তোলেননি। আহমেদ হোসেন শেখের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত, মন্তেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা জেলা যুব তৃণমূলের সহ-সভাপতি রাকিবুল হক শাহ বলেন, ‘‘গত পাঁচ বছর ধরে ব্লকের প্রত্যেক উন্নয়নে যিনি আছেন, সেই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, অঞ্চলের নেতাদের নাম কমিটিতে না থাকা হাস্যকর। যাঁরা আছেন, তাঁদের অনেকেই ২০২১ সালের নির্বাচনে কোন দল করেছেন, তা সবাই জানেন।’’ তাঁর দাবি, ‘‘বিদায়ী বিধায়ক প্রার্থী হওয়ার পরে মন্তেশ্বর ব্লকের নেতৃত্ব কিংবা ব্লক ও অঞ্চল সভাপতিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব যদি এই কমিটিকে অনুমোদন দেয়, নির্বাচনের ফলাফলে আমাদের কোনও দায় থাকবে না।’’

সিদ্দিকুল্লার পাল্টা দাবি, ‘‘দলের উচ্চ নেতৃত্ব আমাকে প্রার্থী নির্বাচন করেছেন। জেতানোর দায়িত্ব সকলের। যাঁরা সেই দায়িত্ব পালনে ইচ্ছুক নন, তাঁদের দলে থাকার প্রয়োজন নেই।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Manteshwar Siddiqullah Chowdhury

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy