আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি-সহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম সুনীল সাউ ওরফে সূর্য, মীর আকিব ওরফে হাবা, শেখ জাকির হোসেন, বিবেক দাস ও খোকন দাস। শক্তিগড় থানার নান্দুড়ে সুনীলের বাড়ি। বাকিদের বাড়ি বর্ধমান থানার বাজেপ্রতাপপুরের বিভিন্ন এলাকায়। ঘটনার বিষয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়ার স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ভোরে আজিরবাগান এলাকায় জাতীয় ১৯ নম্বর সড়কের পাশে দুর্গাপুরের দিকে একটি নির্জন জায়গায় ১১-১২ জন জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে সেখানে হানা দিয়ে ওই পাঁচ জনকে ধরে পুলিশ। দলের বাকিরা পালিয়ে যান। ধৃতদের কাছ থেকে একটি পাইপগান, ১ রাউণ্ড গুলি, লোহার রড, লাঠি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা গাড়িতে ডাকাতির পরিকল্পনায় দলটি সেখানে জড়ো হয়েছিল বলে পুলিশের অনুমান।
অন্য দিকে, ডাকাত সন্দেহে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে মেমারি থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম সোমনাথ প্রামাণিক ও মহম্মদ আজাদ। হুগলির পাণ্ডুয়া থানার কলবাজার এলাকায় আজাদের বাড়ি। মেমারি থানার খাঁড়গ্রামে সোমনাথের বাড়ি। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার ভোরে জিটি রোডে ছিনুই ব্রিজের কাছে ১০-১২ জন রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা গাড়িতে লুটপাটের পরিকল্পনায় জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে সেখানে হানা দিয়ে ওই দু’জনকে ধরা হয়। বাকিরা পালিয়ে যান। ধৃতদের কাছ থেকে ভোজালি, লোহার রড, লাঠি, নাইলনের দড়ি উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। দু’টি ঘটনায় ধৃতদের শনিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি ধৃতদের ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম।