Advertisement
E-Paper

‘জয় শ্রীরাম’ বলতেই হবে, প্রতিবাদের ‘শাস্তি’ মারধর ও সিগারেটের ছ্যাঁকা! চাকদহের ঘটনায় উত্তেজনা মুর্শিদাবাদে

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাড্ডা গ্রামের ১২ জন যুবক শ্রমিকের কাজ করতে যাচ্ছিলেন ওড়িশায়। বেলডাঙা থেকে ট্রেনে চেপে যাওয়ার সময় চাকদহ স্টেশনে কয়েক জন স্থানীয় যুবকের সঙ্গে তাঁদের বচসা বাধে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:৩৬

—প্রতীকী চিত্র।

ধর্মীয় পরিচয় জেনে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল রাজ‍্যে। অভিযোগ, এক যুবককে জোর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানো হয়েছে। প্রতিবাদ করার ‘শাস্তি’ হিসাবে জুটেছে মার ও সিগারেটের ছ্যাঁকা। আক্রান্ত যুবক মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা ব্লকের মাড্ডা গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাড্ডা গ্রামের ১২ জন যুবক শ্রমিকের কাজ করতে যাচ্ছিলেন ওড়িশায়। বেলডাঙা থেকে ট্রেনে চেপে যাওয়ার সময় চাকদহ স্টেশনে কয়েক জন স্থানীয় যুবকের সঙ্গে তাঁদের বচসা বাধে। আক্রান্ত যুবকের অভিযোগ, তাঁর ও সঙ্গীদের বাড়ি মুর্শিদাবাদ ও ধর্মীয় পরিচয় জানার পরেই হেনস্থা শুরু হয়। বিতর্কিত বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত বিষয়েও কটূক্তি করা হয় বলে অভিযোগ।

আরও অভিযোগ, এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে ওই যুবককে ট্রেন থেকে নামিয়ে টোটোতে চাপিয়ে একটি নির্জন খেলার মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করা হয়। প্রথমে রাজি ন-হওয়ায় জোটে মারধর। ভয়ে শেষ পর্যন্ত ওই যুবক স্লোগান দিতে বাধ্য হন। তার পরেও নিস্তার পাননি। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা তাঁর শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেয়। পরে সেখানে আক্রান্ত যুবককে ফেলে রেখে চলে যায়।

স্থানীয়দের সহায়তায় ওই যুবক স্টেশনে পৌঁছোন। তার পরে বেলডাঙায় ফিরে আসেন। স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরের তৎপরতায় বিষয়টি জিআরপি ও বেলডাঙা থানায় জানানো হয়। নিগৃহীত যুবক বলেন, ‘‘বাংলার মাটিতে এমন হবে ভাবিনি।’’

এই ঘটনা প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন, ‘‘সংখ্যালঘুদের ভোটে ক্ষমতায় আছে তৃণমূল। অথচ পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে ধর্মীয় কারণে মার খেতে হচ্ছে। প্রশাসন কোথায়?’’ তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান নিয়ামত শেখ বলেন, ‘‘বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তবে বাংলায় এ ধরনের ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিজেপি-আরএসএসের বিরুদ্ধে নেত্রী লড়াই করছেন। তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

police investigation Humayun Kabir
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy