Advertisement
E-Paper

পর্যটনের মরসুমে নতুন ঠিকানা সবুজ দ্বীপ

অনেক দিন ধরে ঝোপজঙ্গলে ঢাকা পড়ে ছিল দ্বীপটি। মাঝে-মাঝে দু’এক জন নৌকায় করে বেড়াতে যেতেন সেখানে। অবহেলায় পড়ে থাকা জায়গাটি প্রশাসনের উদ্যোগে সেজে ওঠার পরে ঢল নামছে পর্যটকের। শিল্পাঞ্চল ও আশপাশের এলাকার মানুষ পেয়ে গিয়েছেন বেড়াতে যাওয়ার নতুন জায়গা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ০১:৩৭
পর্যটক টানতে হয়েছে নানা উদ্যোগ। নিজস্ব চিত্র।

পর্যটক টানতে হয়েছে নানা উদ্যোগ। নিজস্ব চিত্র।

অনেক দিন ধরে ঝোপজঙ্গলে ঢাকা পড়ে ছিল দ্বীপটি। মাঝে-মাঝে দু’এক জন নৌকায় করে বেড়াতে যেতেন সেখানে। অবহেলায় পড়ে থাকা জায়গাটি প্রশাসনের উদ্যোগে সেজে ওঠার পরে ঢল নামছে পর্যটকের। শিল্পাঞ্চল ও আশপাশের এলাকার মানুষ পেয়ে গিয়েছেন বেড়াতে যাওয়ার নতুন জায়গা।

মাইথনের কাছেই বরাকর নদে এই দ্বীপটি এত দিন অযত্নে পড়েছিল। ছোট-বড় গাছে ঢাকা ছিল এলাকা। তাই মাইথনে নৌকাবিহারে গেলেও সেখানে বিশেষ একটা নেমে ঘোরাফেরা করতেন না পর্যটকেরা। জেলা প্রশাসন উদ্যোগী হয়ে সেখানে গড়ে তুলেছে ফুলের বাগান, ওয়াচ টাওয়ার, বসার জায়গা, ছোটদের জন্য পার্ক। নাম দেওয়া হয়েছে ‘সবুজ দ্বীপ’। মাইথনে জেটি ঘাট থেকে নৌকা বা স্পিডবোটে কিলোমিটার খানেক গেলেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই দ্বীপে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ কেন্দ্রটি খুলে দেওয়া হয়েছে। উদ্বোধন করে গিয়েছেন জেলাশাসক সৌমিত্র মোহন।তিনি জানান, বছরখানেক আগে মাইথনে বেড়াতে এসে দ্বীপটি তাঁর নজরে আসে। তার পরে প্রশাসনিক স্তরে জায়গাটি সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ হয়।

সম্প্রতি সেখানে বেড়াতে আসা রুহিকা বসু, বিক্রম মুখোপাধ্যায়েরা জানান, দ্বীপটি এ ভাবে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলায় তাঁরা খুশি। তাঁদের কথায়, ‘‘অবসর কাটানোর একটা নতুন জায়গা পাওয়া গেল হাতের কাছে।’’ পর্যটকদের মতো খুশি স্থানীয় বাসিন্দারাও। তাঁরা জানান, এর ফলে আয়ের নতুন পথ তৈরি হয়েছে। বাথানবাড়ি নৌকাচলক সমবায় সমিতির অন্যতম কর্তা তথা স্থানীয় বাসিন্দা কাজিমুদ্দিন জানান, মাইথনে নৌকাবিহার অনেক আগে শুরু হয়েছিল। কিন্তু ইদানীং তেমন ভিড় হচ্ছিল না। সবুজ দ্বীপ চালু হওয়ার পরে ভিড় অনেক বেড়েছে। এখন আর কোনও নৌকাচালক বসে থাকেন না। তিনি বলেন, ‘‘ডিসেম্বরের শুরু থেকে মার্চ পর্যন্ত ভাল আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।’’

জেলাশাসক জানান, পরে এখানে একাধিক হাউসবোট রাখার পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের। পর্যটকদের রাত কাটানোর জন্য তৈরি করা হবে অতিথিশালা। চালু করা হবে প্যারাসেলিং এবং রোপওয়ে। সালানপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শ্যামল মজুমদার জানান, দ্বীপের দেখভালের জন্য পঞ্চায়েতের স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে কাজে লাগানো হয়েছে। ফলে, তাঁরাও আর্থিক লাভবান হচ্ছেন। শ্যামলবাবু জানান, ভবিষ্যতে এই দ্বীপ থেকে পঞ্চায়েতের রোজগারের কোনও উপায় হয় কি না তা দেখা হচ্ছে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy