E-Paper

জলাধারের পাথরে নৌকার ধাক্কা, মাইথনে রক্ষা পর্যটকদের

এখন জলাধারে জলস্তর অনেকটাই কম। সবুজদ্বীপের কাছাকাছি পৌঁছতেই নৌকাটি জলের নীচে থাকা পাথরে ধাক্কা খায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬ ১০:০৪
মাইথনে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে নৌকা।

মাইথনে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে নৌকা। —ফাইল চিত্র

শিশু ও মহিলা-সহ বেশ কয়েক জন পর্যটককে নিয়ে নৌকাবিহারে গিয়েছিলেন এক মাঝি। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই দুর্ঘটনার মুখে পড়ে ওই নৌকা। তবে অন্য
নৌকা চালকদের তৎপরতায় তলিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পান পর্যটকেরা। মঙ্গলবার মাইথন জলাধারের এই ঘটনায় নিরাপত্তা-সহ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র মাইথন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন বেলা প্রায় ১২টা নাগাদ ডিভিসির ‘মজুমদার নিবাস’ সংলগ্ন একটি ঘাট থেকে ১২-১৩ জনের একটি পর্যটক দল সবুজদ্বীপ উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এখন জলাধারে জলস্তর অনেকটাই কম। সবুজদ্বীপের কাছাকাছি পৌঁছতেই নৌকাটি জলের নীচে থাকা পাথরে ধাক্কা খায়। এর জেরে নৌকার ছিদ্র হয়ে যায় এবং দ্রুত জল ঢুকতে শুরু করে। এই অবস্থায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পর্যটকেরা। তাঁরা চিৎকার করেন। ওই সময়ে ঝাড়খণ্ডের ‘বাবুঘাট’ এলাকায় থাকা অন্য নৌকা চালকেরা চিৎকার শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। সকলকে নিরাপদে উদ্ধার করেন তাঁরা।

উদ্ধারকারী একটি নৌকার চালক মহম্মদ তাজউদ্দিন বলেন, “নৌকার মধ্যে ধীরে ধীরে জল ভরে যাচ্ছিল। নৌকা নিয়ে গিয়ে তাঁদের একে একে নিরাপদে উদ্ধার করি। সবাই সুস্থ আছেন।” আর এক নৌকার চালক মন্টু মাহাতো বলেন, “ফেরার সময়ে ‘বাঁচাও বাঁচাও’ চিৎকার শুনে ছুটে যাই। শিশুও ছিল। সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু লাইফ জ্যাকেট দেওয়া হয়নি।” তাঁরা জানান, আতঙ্কিত যাত্রীরা একপাশে চলে এলে নৌকা উল্টে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাঁদের শান্ত করে সতর্কতার সঙ্গে উদ্ধার করা গিয়েছে।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক থাকলেও, তা মানা হচ্ছে না। প্রশাসনও এ বিষয়ে উদাসীন। এত বড় পর্যটন কেন্দ্রে স্থায়ী কোনও উদ্ধারকারী দল নেই। পর্যটকদের দাবি, জলস্তর কম থাকলে কোন কোন রুট বিপজ্জনক, তা চিহ্নিত করে প্রশাসনকে নির্দেশিকা জারি করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে সালানপুর ব্লক প্রশাসন জানিয়েছে, খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Tourist Accident

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy