দলের শহীদ স্মরণে সমাবেশের প্রস্তুতি সভা করতে দুর্গাপুরে এলেন যুব তৃণমূলের সভাপতি সৌমিত্র খাঁ ও কার্যকরী সভাপতি শুভ্রাংশু রায়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের নতুন শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক। অভিনেতা তথা যুব তৃণমূল নেতা হিরণের আসার কথা থাকলেও আসেননি তিনি। হিরণ আসার কথা প্রচার হওয়ার ফলে অনেকেই তাঁকে দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন। কিন্তু হিরণ না আসার খবর আসার পরে ভিড় অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যায়। মলয়বাবু যখন বক্তব্য রাখতে ওঠেন তখন অর্ধেকের বেশি চেয়ারও ফাঁকা ছিল। এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েন মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূল নেতারা।
এ দিনের সভায় মলয়বাবু বলেন, “দলের যুব কর্মীদের রাজ্যে সরকারের উন্নয়ন ও দলের আদর্শের কথা মানুষের কাছে প্রচার করতে হবে। তাহলেই আগামী দিনে আর কোনও রাজনৈতিক দল রাজ্যে মাটি তৈরি করতে পারবে না।” বিজেপির সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, “বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে রেলভাড়া বেড়ে গেল। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দামও বাড়ছে। আমরা বাম জমানার সাড়ে তিন দশকের অপশাসন দেখেছি। সেখান থেকে রাজ্যকে মুক্ত করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই রাজ্যে আর কোনও দল মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না।”
তৃণমূলের যুব সংগঠনের সভাপতি সৌমিত্র খাঁ জানান, যে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রধান শক্তি হল দলের যুবশক্তি। সেই কথা মাথায় রেখেই যেন তাঁরা দলের নীতি ও আদর্শ মেনে রাজ্যের উন্নয়নে সামিল হন। এ দিনের সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান জেলা (গ্রামীণ) যুব তৃণমূলের সভাপতি অশোক রুদ্র, আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি প্রভাত চট্টোপাধ্যায়-সহ জেলার প্রথম সারির তৃণমূল নেতারা।