Advertisement
E-Paper

ইঞ্জিনিয়ার-জটে বন্ধ কলেজের ভবন তৈরি

যিনি দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি এখন আর কাজ করতে চাইছেন না। নতুন করে আর কোনও ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ না হওয়ায় থমকে গিয়েছে আসানসোলের হিন্দি কলেজ ভবন নির্মাণের কাজ। ঠিক ছিল, আগামি শিক্ষাবর্ষেই পঠনপাঠন শুরু হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০১:৪৯
বন্ধ নির্মাণকাজ। নিজস্ব চিত্র।

বন্ধ নির্মাণকাজ। নিজস্ব চিত্র।

যিনি দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি এখন আর কাজ করতে চাইছেন না। নতুন করে আর কোনও ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ না হওয়ায় থমকে গিয়েছে আসানসোলের হিন্দি কলেজ ভবন নির্মাণের কাজ। ঠিক ছিল, আগামি শিক্ষাবর্ষেই পঠনপাঠন শুরু হবে। কিন্তু মাঝ পথে নির্মাণ থমকে যাওয়ায় সময় মতো পঠনপাঠন শুরু নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষের আশা, নির্ধারিত সময়েই তা শুরু করতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অনুমোদিত এই হিন্দি কলেজ তৈরি হচ্ছে আসানসোলের বিবি কলেজের তত্ত্বাবধানে। কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন তলা ভবনের এই কলেজটি তৈরি হবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বর্গফুট জমিতে। সে জন্য খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৯৬ লক্ষ টাকা। আসানসোলের টেগোর রোড লাগোয়া এলাকায় গত ডিসেম্বর থেকে ভবন তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু, ১২ জানুয়ারি থেকে নির্মাণকাজ হঠাৎই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কাজ এগিয়েছে সামান্যই। কোনও নির্মাণকর্মীর দেখা মেলেনি। শুধুমাত্র ঠিকাদার সংস্থার নিরাপত্তারক্ষীরা জিনিসপত্র পাহারা দিচ্ছেন। কেন কাজ বন্ধ, সে প্রশ্নে ঠিকাদার সংস্থার কর্ণধার বিনয় রায়ের বক্তব্য, ‘‘কর্তৃপক্ষের পরামর্শে কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।’’

আসানসোল বিবি কলেজের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক অমলেশ চট্টোপাধ্যায় জানান, ভবন নির্মাণের কাজ দেখাশোনার জন্য নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আসানসোল পুরসভার এক জন ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এখন আর সেই কাজ করতে চাইছেন না। ইতিমধ্যে নতুন কোনও ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি। ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া নির্মাণ সম্ভব নয় বলেই কাজ আটকে আছে। অমলেশবাবু বলেন, ‘‘আমরা এক জন অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার চেয়ে আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের (এডিডিএ) কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু এখনও পাওয়া যায়নি। আশা করি দ্রুত কাজ শুরু করা যাবে।’’ পুরসভার ওই ইঞ্জিনিয়ার মাঝপথে কাজ ছেড়ে দিলেন কেন, সে ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে চাননি। তবে পুরসভার একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পুরবোর্ডের কর্তারা ওই ইঞ্জিনিয়ারকে কলেজের কাজ দেখাশোনার জন্য নিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু নতুন বোর্ড তাঁকে অনুমতি না দেওয়ায় তিনি কাজে যেতে পারছেন না। শহরের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি অবশ্য এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy