Advertisement
E-Paper

গ্রাম সংসদ সভা করতে হবে নিয়মিত, নির্দেশ কর্তাদের

নিচু স্তরে কাজের গতি বাড়াতে তৎপর হল জেলা প্রশাসন। জেলার প্রতিটি ব্লকে অতিরিক্ত জেলাশাসক, জেলা সভাধিপতি, মহকুমাশাসক-সহ বিভিন্ন আধিকারিকদের উপস্থিতিতে বৈঠক ডেকে সরাসরি নানা প্রকল্পের চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনা ১ ও ২ ব্লক, পূর্বস্থলী ১ ব্লক, মন্তেশ্বর ব্লক, জামালপুর ব্লক, সালানপুর ব্লক, জামুড়িয়া ব্লক-সহ প্রায় ১৪টি ব্লকে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক বৈঠক হয়ে গিয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জুন ২০১৪ ০০:১৭

নিচু স্তরে কাজের গতি বাড়াতে তৎপর হল জেলা প্রশাসন।

জেলার প্রতিটি ব্লকে অতিরিক্ত জেলাশাসক, জেলা সভাধিপতি, মহকুমাশাসক-সহ বিভিন্ন আধিকারিকদের উপস্থিতিতে বৈঠক ডেকে সরাসরি নানা প্রকল্পের চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনা ১ ও ২ ব্লক, পূর্বস্থলী ১ ব্লক, মন্তেশ্বর ব্লক, জামালপুর ব্লক, সালানপুর ব্লক, জামুড়িয়া ব্লক-সহ প্রায় ১৪টি ব্লকে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক বৈঠক হয়ে গিয়েছে। সাধারণত ব্লক অফিস বা পঞ্চায়েত সমিতির কার্যালয়ে বৈঠক বসছে। বিডিওরা বৈঠকের আগেই একশো দিনের কাজ, ইন্দিরা আবাস যোজনা, গীতাঞ্জলি-সহ একাধিক প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরছেন। পিছিয়ে থাকা পঞ্চায়েতগুলির ক্ষেত্রে সমস্যা জানতে চাইছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা। সেই মতো নিদানও দেওয়া হচ্ছে।

জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, “কাজে গাফিলতি থাকলে পঞ্চায়েতের কর্মচারীদেরও রেয়াত করা হবে না।” আসানসোলের দুটি পঞ্চায়েতে দুই সরকারি কর্মীর কাজে তাঁরা বিরক্ত। তাঁদের কাজের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মন্তেশ্বর ব্লকের বৈঠকে যেমন এক পঞ্চায়েত কর্মী জানান, এলাকার সংখ্যালঘু মেয়েদের একশো দিনের কাজে আগ্রহ নেই। তা শুনে জেলা সভাধিপতি দেবু টুডু ওই পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রামে গিয়ে মহিলাদের কাজের গুরুত্ব বোঝানোর নির্দেশ দেন। কালনা ১ ব্লকের বৈঠকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ প্রধানদের প্রতি মাসে ক্যালেন্ডার তৈরি করতে পরামর্শ দেন। ওই ক্যালেন্ডারে সারা মাসে পঞ্চায়েত কী কাজ করল তার উল্লেখ থাকবে। তিনি আরও জানান, বহু জায়গাতেই স্থানাভাবে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র গড়া যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে ক্লাবগুলি এগিয়ে এল তাদের ২ লক্ষ টাকা করে অর্থসাহায্য করা হবে। ক্লাবগুলির নীচের তলায় অঙ্গনওয়াড়ি গড়া হবে। উপরে ক্লাবের ঘর হতে পারে। তবে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে না পারলে পঞ্চায়েত সমস্যায় পড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

স্বপনবাবু বলেন, “দাদাগিরি করার দিন শেষ। কাজ না করলে জেলাশাসককে বলে পঞ্চায়েত ভেঙে দেওয়া হতে পারে।” অতিরিক্ত জেলাশাসক হৃষিকেশ মুদি বলেন, “পঞ্চায়েতগুলিতে উন্নয়নের গতি বাড়াতে নিয়মিত সংসদ সভা করতে হবে।”

kalna need parliament meeting regularly
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy