Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৫ অগস্ট ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

উত্তপ্ত চোপড়ায় গুলিযুদ্ধ, মৃত ১

কংগ্রেসের অভিযোগ, লক্ষ্মীপুরে দলের প্রার্থী ইসলামুদ্দিনকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য তিন দিন ধরে চাপ দিচ্ছিল তৃণমূল। বোমা-পিস্তল নিয়ে তাঁকে হু

নিজস্ব সংবাদদাতা
চোপড়া (উত্তর দিনাজপুর) ১৫ এপ্রিল ২০১৮ ০৩:৫৩
Save
Something isn't right! Please refresh.
কংগ্রেসের পার্টি অফিসে ভাঙচুর। —নিজস্ব চিত্র।

কংগ্রেসের পার্টি অফিসে ভাঙচুর। —নিজস্ব চিত্র।

Popup Close

হাইকোর্টের নির্দেশে আপাতত স্থগিত রয়েছে পঞ্চায়েত ভোট প্রক্রিয়া। কিন্তু অশান্তির বিরাম নেই। কংগ্রেস প্রার্থীকে মনোনয়ন প্রত্যাহারে বাধ্য করা হচ্ছে— এই অভিযোগ তুলে শনিবার সাতসকালেই তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া ব্লকের লক্ষ্মীপুর ও সংলগ্ন এলাকা। অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে। দিনভর বোমা-গুলি, পার্টি অফিস ভাঙচুর হয়। এই সময়ে দুই তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। জখম হন কয়েক জন। তাণ্ডবের মাঝে পালাতে গিয়ে পড়ে মারা যান স্থানীয় এক ব্যক্তি।

কংগ্রেসের অভিযোগ, লক্ষ্মীপুরে দলের প্রার্থী ইসলামুদ্দিনকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য তিন দিন ধরে চাপ দিচ্ছিল তৃণমূল। বোমা-পিস্তল নিয়ে তাঁকে হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় কংগ্রেস সমর্থকেরা বলছেন, ইসলামুদ্দিনকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়। সকালে তাঁর বাড়িতে মোটরবাইক নিয়ে চড়াও হয় ১৪-১৫ জন। বাড়ি ও এলাকার কংগ্রেস অফিস ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।

স্থানীয়দের দাবি, এই এলাকায় কংগ্রেস শক্তিশালী। তাই দ্রুত তারা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এলাকায় মুহুর্মুহু বোমা ফাটে। গুলির শব্দও শোনা যায়। পরে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা এক প্রাক্তন সেনাকর্মী গুলি ছোড়েন। এই সময়ে দুই তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ হন বলে অভিযোগ। কংগ্রেসের দাবি, তৃণমূলের লোকজন প্রতিরোধের সামনে পড়ে বাইকগুলি ফেলে রেখেই পালিয়ে যান।

Advertisement

এই খবর চাউর হতেই দুপুরে গোলমাল ছড়ায় সংলগ্ন লালবাজার এলাকার ব্যস্ত মোড়ে। তখন দুই তৃণমূল
সমর্থককে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। তা নিয়ে হট্টগোল বাধলে জনবহুল এলাকায় উদ্‌ভ্রান্তের মতো ছোটাছুটি শুরু হয়। দ্রুত ঝাঁপ পড়ে যায় দোকানপাটের। হুড়োহুড়ি, ধাক্কাধাক্কির মধ্যে রাস্তায় পড়ে বৈশাখ কর্মকার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। লাঠিপেটা করেও পরিস্থিতি সামলাতে না পেরে শেষে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। পুলিশের বিরুদ্ধে শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। যদিও পুলিশের দাবি, তারা রবার বুলেট ছুড়েছে।

উত্তর দিনাজপুরের পুলিশ সুপার শ্যাম সিংহ বলেন, ‘‘গোলমাল বাধিয়েছে, এমন ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।’’ প্রৌঢ়ের মৃত্যু নিয়ে ইসলামপুরের এসডিপিও সোমনাথ ঝা জানান, ‘‘প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, উনি বেশ কিছু দিন ধরেই হৃদরোগে ভুগছিলেন। এ দিন পড়ে গিয়ে ওঁর মৃত্যু হয়েছে।’’ গুলিবিদ্ধ দুই তৃণমূল কর্মীকে ইসলামাবাদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

চোপড়া ব্লক কংগ্রেস সভাপতি অশোক রায়ের অভিযোগ, ‘‘রোজই এ ভাবে ভয় দেখানো হচ্ছিল। এ দিন মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।’’ জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোহিত সেনগুপ্তও একই অভিযোগ করেন। যে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এ দিনের হামলার অভিযোগ, সেই আব্দুল যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। তৃণমূল জেলা সভাপতি অমল আচার্যের দাবি, ‘‘আমাদের লাগাতার উন্নয়নের জেরে কংগ্রেস পায়ের তলায় মাটি খুইয়েছে। তাই গোলমাল পাকাতে চাইছে।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement