Advertisement
E-Paper

কৃষ্ণনগরে নড্ডার ভাষণের মাঝেই মাঠ ছাড়তে শুরু করলেন অনেকে, সিএএ নিয়ে নীরবতার কারণে কি?

বিজেপি-র নবদ্বীপ সাংগঠনিক বিভাগের ‘পরিবর্তন যাত্রা’র সূচনা করতে রবিবার নড্ডা এসেছিলেন নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে। দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ২১:০১
জেপি নড্ডা।

জেপি নড্ডা। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

আয়োজন যথেষ্ট ছিল। জমায়েতও খারাপ ছিল না। কিন্তু কৃষ্ণনগরে বিজেপি-র ‘পরিবর্তন যাত্রা’র উদ্বোধনী সভায় প্রধান বক্তার ভাষণের মাঝপথেই মাঠ ছাড়তে শুরু করলেন অনেকে। বিজেপি-র প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডার কাছ থেকে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আশ্বাস না-পেয়ে হতাশায় মাঠ ছেড়েছে জনতা, এমনটাই দাবি তৃণমূলের। সে ব্যাখ্যা নস্যাৎ করে বিজেপি বলছে, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক দেরিতে সভা শুরু হওয়ায় দূর থেকে আসা কর্মী-সমর্থকেরা শেষ পর্যন্ত থাকতে পারেননি। তবে ব্যাখ্যা যা-ই হোক, নড্ডার ভাষণ চলাকালীন মাঠ ফাঁকা হতে শুরু করার ছবি অস্বস্তিতেই ফেলেছে বিজেপি নেতৃত্বকে।

বিজেপি-র নবদ্বীপ সাংগঠনিক বিভাগের ‘পরিবর্তন যাত্রা’র সূচনা করতে রবিবার নড্ডা এসেছিলেন নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে। দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। বেলা ২টোয় সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রায় দু’ঘণ্টা দেরিতে সভার মূল পর্ব শুরু হয়। গোটা নদিয়া জেলাতেই মতুয়া ও উদ্বাস্তু জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য। তাঁদের অনেকেই নড্ডার সভায় ভিড় জমিয়েছিলেন। একটি মহলের ব্যাখ্যা, এসআইআর আবহে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত উদ্বেগ আরও বেড়েছে। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি-র সর্বভারতীয় স্তরের প্রথম সারির নেতার মুখ থেকে সিএএ বা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস পাওয়ার আশা নিয়ে অনেকে ভিড় করেছিলেন। কিন্তু নড্ডা রবিবারের ভাষণে সে সব প্রসঙ্গ স্পর্শ করেননি। তাই মিনিট ২০ তাঁর ভাষণ শোনার পরে ‘হতাশ জনতা’ মাঠ ছাড়তে শুরু করেন বলে অনেকের ব্যাখ্যা।

শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী বলেছেন, ‘‘বিজেপি কেবল ভোটের আগে ভাঁওতা দেয়। মতুয়া এবং উদ্বাস্তু মানুষদের নাগরিকত্বের টোপ দিয়ে এত দিন রাজনীতি করেছে। আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে সামনে পেয়ে মানুষ যখন উত্তরের অপেক্ষায় ছিলেন, তখন মন্ত্রী নীরব। মানুষ বুঝতে পেরেছেন যে, বিজেপি-র ঝুলি শূন্য। তাই মাঝপথেই তাঁরা সভা ছেড়ে চলে গিয়েছেন।’’

বিজেপি-র নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস অবশ্য প্রথমেই বলছেন, ‘‘সভা ফাঁকা হওয়া সংক্রান্ত তত্ত্বটি অতিরঞ্জিত।’’ তবে নড্ডার ভাষণ চলাকালীনই যে কেউ কেউ মাঠ ছাড়তে শুরু করেছিলেন, তা প্রকারান্তরে মেনেছেন অর্জুন। তিনি বলেছেন, ‘‘দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষের ট্রেন ধরার তাড়া ছিল। দেরিতে সভা শুরু হওয়ায়, তাঁদের পক্ষে শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা সম্ভব ছিল না।’’

BJP West Bengal Politics JP Nadda CAA Matua
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy