সোমবার স্বাধীনতা দিবসের সকালে ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া পশ্চিম মেদিনীপুরে গিধনি স্টেশনে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগকে ঘিরে বোমাতঙ্ক ছড়াল।
স্টেশনের তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মের শেড সংযোগকারী পিলারের উপরের খাঁজের আড়ালে ছিল নীল রঙের একটি রুকস্যাক। খবর পেয়েই জামবনি থানার পুলিশ, সিভিক ভলান্টিয়ার, সিআরপিএফ, রেল পুলিশকর্মীরা গোটা প্ল্যাটফর্ম চত্বর ঘিরে ফেলেন। আসে পুলিশে কুকুর। তন্নতন্ন করে স্টেশন চত্বরে তল্লাশি চালানো হয়। তবে এ জন্য দক্ষিণ পূর্ব রেলের ওই শাখায় (খড়্গপুর-টাটানগর) রেল চলাচলে কোনও ব্যাঘাত ঘটেনি। খবর পেয়ে দুপুরে মেদিনীপুর থেকে বম্ব স্কোয়াড এসে ব্যাগটি উদ্ধার করে। দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সঞ্জয় ঘোষ জানান, বম্ব স্কোয়াড ব্যাগ খুলে একটি ভাঙা মোবাইল ফোন, ফোনের চার্জার, গামছা, তেলের শিশি, দু’টি সাবানের টুকরো উদ্ধার করেছে। তিনি বলেন, “ব্যাগটিকে কে কী ভাবে পিলারের উপরের খাঁজের আড়ালে রাখল, সে ব্যাপারে রেল পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।”
প্রসঙ্গত, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ঝাড়খণ্ড সীমানাবর্তী ওই এলাকায় মাওবাদীদের গতিবিধির খবর আছে গোয়েন্দাদের কাছে। ফলে, এ ধরনের ব্যাগ রেখে যাওয়ার ঘটনাটি মাওবাদীদের ‘ডামি রান’ হতে পারে বলে মনে করছে পুলিশের একাংশ। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, স্বাধীনতার দিবসের দিনে রেল পুলিশের কড়া নজর এড়িয়ে কী ভাবে কেউ এত উপরে ব্যাগটি রাখলেন। আর কেনই বা রাখলেন। ব্যাগের ভিতর থেকে যে গামছাটি উদ্ধার হয়েছে, সেটিও বেশ রহস্যজনক। এক পুলিশ কর্তার বক্তব্য, এক সময় মাওবাদী স্কোয়াডের লোকজন এই ধরনের গামছা ব্যবহার করতেন।
আরও পড়ুন