Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

প্রবীণ সাংবাদিক ও সাহিত্যিক অমিতাভ চৌধুরীর জীবনাবসান হয়েছে। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তিনি প্রায় এক বছর ধরে বার্ধক্যজনিত অসুখে ভুগছিলেন। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শুক্রবার ভোরে, রানিকুঠির রিজেন্ট পার্কের সরকারি আবাসনে। রয়েছেন তাঁর ছেলে অনির্বাণ, বৌমা মধুরিমা ও নাতনি সুনন্দনা। ২০০৩ সালে তাঁর স্ত্রী সুনন্দা প্রয়াত হন। কেওড়াতলা মহাশ্মশান এ দিন দুপুরেই অমিতাভবাবুর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

শেষ আপডেট: ০২ মে ২০১৫ ০১:৪৬

প্রয়াত অমিতাভ চৌধুরী

প্রবীণ সাংবাদিক ও সাহিত্যিক অমিতাভ চৌধুরীর জীবনাবসান হয়েছে। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তিনি প্রায় এক বছর ধরে বার্ধক্যজনিত অসুখে ভুগছিলেন। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শুক্রবার ভোরে, রানিকুঠির রিজেন্ট পার্কের সরকারি আবাসনে। রয়েছেন তাঁর ছেলে অনির্বাণ, বৌমা মধুরিমা ও নাতনি সুনন্দনা। ২০০৩ সালে তাঁর স্ত্রী সুনন্দা প্রয়াত হন। কেওড়াতলা মহাশ্মশান এ দিন দুপুরেই অমিতাভবাবুর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। ১৯২৮-এর ১৬ জুলাই শ্রীহট্টে জন্ম অমিতাভবাবুর। পড়াশোনা কলকাতা ও শান্তিনিকেতনে। কর্মজীবন শুরু বিশ্বভারতীতে শিক্ষকতা দিয়ে। পঞ্চাশের দশকে যোগ দেন আনন্দবাজার পত্রিকায়। প্রথম দিকে ‘দৌবারিক’ ছদ্মনামে নিয়মিত কলাম লিখতেন। পরে হন বার্তা সম্পাদক। সত্তরের দশকে যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে যুগান্তরে যোগ দেন। পরে আজকাল পত্রিকার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন অমিতাভবাবু। বিভিন্ন বিষয়ে শতাধিক বইয়ের প্রণেতা অমিতাভবাবু পাঠকপ্রিয় ছিলেন ছড়াকার হিসেবেও। তাঁর প্রিয় বিষয় ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও সাহিত্য। রবীন্দ্র-বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাঁর খ্যাতি সেই সুবাদেই। ১৯৮৩ সালে পান পদ্মশ্রী সম্মান। ২০১৩-য় রাজ্য সরকার তাঁকে বঙ্গবিভূষণ উপাধি দেয়। ওই বছরই শিলচর বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে দেয় সাম্মানিক ডিলিট।

Advertisement

পঞ্চায়েত প্রধান খুন

গ্রাম্য জমি বিবাদ মিটিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গুলিতে খুন হলেন সিপিএমের পঞ্চায়েত প্রধান। কিন্তু বিরোধী দলের কেউ নয়, পরিবারের তরফে দলেরই দুই পঞ্চায়েত সদস্য গোলবাহার আলি শেখ ও হুড়ো শেখের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে শুক্রবার রাত পর্যন্ত পুলিশ কাউকে ধরতে পারেনি। নদিয়ার নাকাশিপাড়া থানার ধনঞ্জয়পুরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রের খবর, ধনঞ্জয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ফিরোজ দফাদার (৩৮) সন্ধ্যায় জমি সংক্রান্ত বিবাদ মিটিয়ে ফিরছিলেন। ধনঞ্জয়পুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। ফেরার সময় পশ্চিমপাড়ায় কয়েক জন তাঁকে আটকে দু’টি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় ফিরোজের।

ট্রেনে গুলি, হত ১

চলন্ত ট্রেনে দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে নিহত হলেন এক যাত্রী। ছুরিকাহত আরও এক। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ থেকে দিল্লিগামী ফরাক্কা এক্সপ্রসে, গৌড় মালদহ স্টেশনের আগে। রেলপুলিশ জানিয়েছে, নিহতের নাম ইন্দ্র ভানু (৪০)। যাত্রীরা জানান, জনা পাঁচ-ছয় সশস্ত্র দুষ্কৃতী ট্রেনে উঠেই ওই ব্যক্তির মাথায় গুলি করে। আরপিএফ কিছুই করেনি বলেও অভিযোগ। জামিরঘাটার আগে আততায়ীরা চেন টেনে পালায়। ট্রেনটি ফরাক্কা স্টেশনে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়।

জওয়ানের দেহ ফিরল

উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর সীমান্তে পাচারকারীদের গুলিতে নিহত সীমান্তরক্ষী নিতিনকুমার পাণ্ডের দেহ বৃহস্পতিবার বিহারের রোহতাস জেলায় তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে গরু পাচারকারীদের তাড়া করেন নিতিন এবং তাঁর সঙ্গীরা। পাচারকারীরা গুলি ছুড়লে বাহিনী পাল্টা গুলি চালায়। দুষ্কৃতীদের একটি গুলি নিতিনের তলপেট এ-ফোঁড় ও-ফোঁড় করে দেয়। আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তিনি মারা যান।

ফের বিদ্যুৎ

তারাপীঠের দূষণ মামলায় অবৈধ হোটেল-লজের বিদ্যুতের লাইন কাটতে গিয়ে একটি মন্দিরের বিদ্যুৎ-সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। জাতীয় পরিবেশ আদালতের পূর্বাঞ্চলীয় বেঞ্চ শুক্রবার নির্দেশ দিয়েছে, অবিলম্বে ওই মন্দিরের বিদ্যুৎ-সংযোগ ফের জুড়ে দিতে হবে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন হোটেল-লজের জরিমানা করেছে পরিবেশ আদালত। ওই এলাকায় নিকাশি দূষণ ঠেকাতে শোধন যন্ত্র বসানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের তরফে সেই যন্ত্র বসানোর পরিকল্পনা রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে আদালতে। মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা ২০ মে।

দুর্ঘটনায় মৃত

রবীন্দ্র সদনের সামনে বাসের ধাক্কায় হয়ে মারা গেলেন বছর পঁচিশের এক যুবক। পুলিশ জানায়, মৃতের নাম সৌরভ দত্ত। বাড়ি হাওড়ার জগাছায়। শুক্রবার দুপুরে দৌড়ে বাস ধরতে যাচ্ছিলেন তিনি। পিছন থেকে অন্য একটি বাস তাঁকে ধাক্কা মারে। এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

১১৯ বছরে পড়ল রামকৃষ্ণ মিশন। সেই উপলক্ষে শুক্রবার বেলুড় মঠের কনফারেন্স হলে আয়োজিত

বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিচ্ছেন ভাইস প্রেসি়ডেন্ট স্বামী প্রভানন্দ। বক্তৃতা দেন বিচারপতি

সৌমেন সেন, স্বামী শুভকরানন্দ, চিকিৎসক সুব্রত মৈত্রও। অনুষ্ঠানে ছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের

সহ-অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ, সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুহিতানন্দ এবং অন্য সন্ন্যাসীরা। ছবি: দীপঙ্কর মজুমদার।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy