রাজ্যের সব সংশোধানাগারের এবং বন্দিদের সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, রাজ্যে মোট সংশোধনাগারের সংখ্যা, সব মিলিয়ে কত বন্দিকে রাখার বন্দোবস্ত আছে এবং মোট কত বন্দি আছেন, সেই তথ্য জানাতে হবে। বন্দিদের মধ্যে পুরুষ ও মহিলার সংখ্যা কত, কারাকর্মীর অনুমোদিত পদসংখ্যা ও কত শূন্যপদ আছে, তা-ও জানাতে বলা হয়েছে।
ডিভিশন বেঞ্চের আরও নির্দেশ, ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্দিদশায় কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কত জন মৃতের পরিবার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে এবং কতগুলি ক্ষতিপূরণের আবেদন খারিজ করা হয়েছে, তা রিপোর্টে জানাতে হবে। বন্দিদের কত জন মারণ রোগে আক্রান্ত, কত জন মানসিক রোগী, বন্দি বাবা-মায়ের সাথে কত জন শিশু আছে, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা বন্দি কত জন এবং তাদের জন্য কী ধরনের আবাসিক ও স্বাস্থ্য পরিষেবা রয়েছে, তা-ও রিপোর্টে জানাবে রাজ্য। সংশোধনাগারের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে রাজ্যের রূপরেখাও রিপোর্টে দিয়ে জানাতে হবে। এই সব তথ্য দিয়ে ৯ মার্চ কোর্টে রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্যকে।
রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিতে বন্দিদের দুর্দশা সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন মামলাকারীদের আইনজীবী রঘুনাথ চক্রবর্তী, মেহবুব আহমেদ, নন্দিনী চট্টোপাধ্যায় এবং আদালতবান্ধব হিসেবে নিযুক্ত আইনজীবী তাপসকুমার ভঞ্জ ও সুভাষ রায়। নানা বিষয়ে রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছিলেন তাঁরা।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)