E-Paper

রাজ্য পুলিশের সঙ্গে তদন্ত নয়: সিবিআই

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, এ দিনই আইপ্যাক সংস্থার অফিস ও তার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। সেই তল্লাশির সময় খোদ মুখ্যমন্ত্রী হাজির হন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:১০
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

রাজ্য পুলিশের সঙ্গে যৌথ তদন্তে নিজেদের আপত্তির কথা কলকাতা হাই কোর্টে জানাল সিবিআই। বুধবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতিপার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এ কথা জানায় তারা। প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে থাকা চারটি মামলার তদন্ত সিবিআই ও রাজ্য পুলিশকে যৌথ ভাবে করতে বলেছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। দু’পক্ষের অফিসারদের নিয়ে ‘বিশেষ তদন্তকারী দল’ (সিট) গঠন করতে বলেছিলেন তিনি। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই। সেই মামলাতেই এ কথা জানিয়েছে তারা। ডিভিশন বেঞ্চ এ ব্যাপারে সিবিআইকে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে।

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, এ দিনই আইপ্যাক সংস্থার অফিস ও তার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। সেই তল্লাশির সময় খোদ মুখ্যমন্ত্রী হাজির হন। প্রতীকের বাড়ি এবং সংস্থার দফতর ঘিরে রেখেছিল পুলিশ। অভিযোগ, তল্লাশিতে বাধা দিয়ে প্রচুর নথিও বার করে আনেন মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশকর্মীরা। তারপরেই এ দিন তল্লাশিতে বাধার অভিযোগ জানিয়ে হাই কোর্টে মামলা করেছে ইডি। আইনজীবীদের একাংশের পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্রীয় সংস্থাকে রাজ্য পুুলিশ যে কোনও ভাবে সহযোগিতা করবে না, সে কথা এ দিনও কার্যত প্রমাণিত হয়েছে।

এ দিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চেও সিবিআইয়ের কৌঁসুলি অতীতেরাজ্য পুলিশের অসহযোগিতা এবং হয়রানির অভিযোগ জানিয়েছেন। সিবিআইয়ের বক্তব্য, রাজ্য পুলিশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তদন্ত করাসম্ভব নয়। সিবিআই স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থা। তাই বিচারপতি সেনগুপ্তের নির্দেশ খারিজ করে সিবিআইকে একক ভাবে তদন্তের দায়িত্বদেওয়া হোক।

সিবিআইয়ের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই অনেকে ২০১৯ সালে কলকাতার তৎকালীন নগরপাল রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই দলের আগমনের প্রসঙ্গ তুলেছেন। সারদা মামলার তদন্তে রাজীবকে কিছু প্রশ্ন করতে সিবিআইয়ের দল কলকাতার লাউডন স্ট্রিটেনগরপালের সরকারি বাসভবনে এসেছিল। সেই খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশের বিরাট বাহিনী ঘিরে ফেলে সিবিআই অফিসারদের। রীতিমতো মারমুখী হয়ে উঠেছিল পুলিশের একাংশ। শেক্সপিয়র সরণি থানায় সিবিআই অফিসারদের আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ এবং এ-ও অভিযোগ, সিবিআই অফিসারদের সঙ্গে থানা কোনও আইনি সহযোগিতাও করতে চায়নি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

West Bengal Police CBI

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy