পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি। এখনও এসআইআরের বেশ কিছুটা কাজ বাকি। চলছে বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি-প্রক্রিয়া। সেই তালিকায় নাম রয়েছে ৬০ লক্ষ। প্রশ্ন উঠছে, ভোটের আগে কি বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা সব ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হবে? রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘‘পুরো বিষয়টি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির নজরদারিতে হচ্ছে। সময়ে কাজ শেষ নিয়ে তিনিই বলতে পারবেন।’’
তবে মনোজ এ-ও আভাস দেন, ‘‘মনোনয়নের শেষ দিন পর্যন্ত যাঁদের নাম থাকবে সবাই ভোট দিতে পারবেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক ধাপে ধাপে তালিকা বার হবে।’’ কতগুলি অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে? সেই প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের সিইও বলেন, ‘‘প্রথম অতিরিক্ত তালিকা কবে প্রকাশ হবে, তা আগামী ১০ তারিখের পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’ তিনি স্পষ্ট করেন, নিষ্পত্তি হয়ে আসা ভোটারদের তথ্য দেখে, তা তালিকায় জোড়া হবে। মনোজ জানান, শনিবার এক লক্ষ ভোটারের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি করেছেন বিচারকেরা।
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে ৬৩ লক্ষ নাম বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁদের কেউ মৃত, কেউ স্থানান্তরিত, কেউ গরহাজির, কারও অন্য জায়গায় নাম রয়েছে। আরও ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ নাম ‘অ্যাডজুডিকেশন’ বা ‘বিবেচনাধীন’। সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদনে ওই ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারদের নথি খতিয়ে দেখছেন এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত বিচারকেরা।
আরও পড়ুন:
তিন দিনের সফরে রবিবার রাতেই রাজ্যে পৌঁছে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে এই দলে থাকছেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশীও। সোম এবং মঙ্গলবার তাঁদের বেশ কিছু কর্মসূচি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সর্বদলীয় বৈঠকও করার কথা। সিইও জানান, স্বীকৃত আটটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবে ফুল বেঞ্চ। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে ১৫ মিনিট করে সময় দেওয়া হবে।
অন্য দিকে, সকালে পর পর বিস্ফোরণ নাড়িয়ে দিয়েছে পাইকপাড়ার গাঙ্গুলিপাড়া এলাকাকে। সরু গলির মধ্যে পর পর বাড়ি। কয়েক ছটাক জমির উপর ছোট্ট ক্লাবঘর, নাম ‘যুবশক্তি’। বিস্ফোরণ এতটাই তীব্র ছিল যে, তার অভিঘাতে ক্লাবঘরের টিনের চাল উড়ে উঠে যায় পাশের ছ’তলা বাড়ির ছাদে! সামনের বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। নির্বাচনের আবহে এই ঘটনায় রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন।