E-Paper

‘মৃতদের’ তথ্য কই, জেলাকে কড়া বার্তা কমিশনের

‘ডেড ম্যান ওয়াকিং’— বিখ্যাত এই উক্তিটির প্রতিফলন গত শুক্রবার বারুইপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের মঞ্চে দেখেছিলেন উপস্থিত জনতা। অভিষেকের অভিযোগ ছিল, এসআইআরের সময়ে মৃত বলে এই ভোটারদের বাদ দিয়েছে কমিশন। এই অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:১২

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘মৃত’ ব্যক্তিদের র‌্যাম্পে হাঁটিয়েছেন। তাই নিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সেই রিপোর্ট আসেনি কমিশনের কাছে। তা নিয়ে রবিবার সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে কড়া বার্তা পাঠাল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) কার্যালয়। নাম-ঠিকানা জানার পরেও কেন এত সময় লাগছে, জানতে চাওয়া হয়েছে তা-ও।

‘ডেড ম্যান ওয়াকিং’— বিখ্যাত এই উক্তিটির প্রতিফলন গত শুক্রবার বারুইপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের মঞ্চে দেখেছিলেন উপস্থিত জনতা। অভিষেকের অভিযোগ ছিল, এসআইআরের সময়ে মৃত বলে এই ভোটারদের বাদ দিয়েছে কমিশন। এই অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। বিহারে এসআইআর হওয়ার পরেও এমন অভিযোগ উঠেছিল। অভিষেক যে দিন অভিযোগ তোলেন, সে দিনই দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক তথা সেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল সিইও কার্যালয়। বলে দেওয়া হয়েছিল, মেটিয়াব্রুজের ১৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের ২২ নম্বর বুথের মনিরুল মোল্লা, ওই বিধানসভা কেন্দ্রেরই ২ নম্বর ওয়ার্ডের ২১৫ নম্বর বুথের মায়া দাস এবং কাকদ্বীপ বিধানসভার নামখানা ব্লকের নায়ারণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৬০ নম্বর বুথের হরেকৃষ্ণ গিরির নাম কার মাধ্যমে এবং কেন ‘এএসডিডি’ (অনুপস্থিত, ঠিকানা বদল, মৃত এবং ডুপ্লিকেট) তালিকাভুক্ত হয়েছে, তা নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে হবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। সময়সীমা শেষ হয়েছে শনিবারই। সিইও দফতর সূত্রের বক্তব্য, রবিবার রাত পর্যন্ত সেই রিপোর্ট না পৌঁছনোয় সেই জেলা প্রশাসনকে সতর্কবার্তাপাঠানো হয়েছে।

ওই দফতরের বক্তব্য, নাম, বিধানসভা, বুথ সব নির্দিষ্ট থাকার পরেও রিপোর্ট পেতে এত সময় লাগার কথা নয়। ফলে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। ঠিক যেমন হুগলির চণ্ডীতলায় এক কাউন্সিলর এএসডিডি তালিকাভুক্ত হওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পরে কমিশনের অনুসন্ধানে দেখা যায়, এলাকায় অতি পরিচিত ওই রাজনৈতিক ব্যক্তি তথা পদাধিকারীর নাম এএসডিডি তালিকাভুক্ত হওয়ার উদ্দেশ্য ভিন্ন ছিল। সংশ্লিষ্ট বিএলও সব জেনেশুনেও তা করেছিলেন। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের প্রস্তাব জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে করেছে সিইও কার্যালয়। এই ঘটনাতেও তেমন কোনও উদ্দেশ্য কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে চাইছেন সিইও অফিসের আধিকারিকেরা।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Special Intensive Revision Chief Electoral Officer District Administration

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy