E-Paper

নন্দীগ্রাম ছেড়েও ‘বন্ধু’ থাকার আশ্বাস, দরবার শুরু করতে চান শুভেন্দু

নন্দীগ্রামের গড়চক্রবেড়িয়ার বদলে ভবানীপুরের চক্রবেড়িয়ায় আপাতত বেশি সময় দিতে হবে বিধায়ক শুভেন্দুকে। প্রাক্-নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভবানীপুরে এখন খোলা থাকবে বিধায়ক কার্যালয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ০৭:৫২
স্পিকারের হাতে নন্দীগ্রামের বিধায়ক হিসেবে পদত্যাগ-পত্র তুলে দিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায়।

স্পিকারের হাতে নন্দীগ্রামের বিধায়ক হিসেবে পদত্যাগ-পত্র তুলে দিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায়। — নিজস্ব চিত্র।

দলের সিদ্ধান্ত মেনে নন্দীগ্রামের বিধায়ক-পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবেই শপথ নিয়েছিলেন তিনি। প্রথম অধিবেশনে রথীন্দ্রনাথ বসু স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পরেই তাঁর হাতে পদত্যাদপত্র তুলে দিয়েছেন শুভেন্দু। এ বার থেকে ‘জনতার দরবার’ করে সাধারণ মানুষের সমস্যা সরাসরি শুনতে চান মুখ্যমন্ত্রী। ভবানীপুর কেন্দ্রে বিজেপি বিধায়কের কার্যালয় থেকেই সেই কাজ শুরু হতে পারে।

বিধানসভায় শুক্রবার নিয়ম মেনে স্পিকারের ঘরে গিয়ে তাঁর হাতে নন্দীগ্রামের বিধায়ক হিসেবে পদত্যাগপত্র তুলে দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেছেন, ‘‘অনিচ্ছা সত্ত্বেও নন্দীগ্রামের বিধায়ক-পদ ছেড়ে দিতে হচ্ছে। একাধিক বিধানসভা কিংবা লোকসভা কেন্দ্র থেকে কেউ বিধায়ক বা সাংসদ থাকতে পারেন না। তবে আমি পদত্যাগ করলেও নন্দীগ্রামের মানুষের কোনও অভিযোগ রাখতে দেব না। ভাঙাবেড়া, গড়চক্রবেড়িয়া, সোনাচূড়া বা অধিকারীপাড়ায় বছরের নানা সময়ে যেমন কর্মসূচি থাকে, সেখানে আমাকে পাওয়া যাবে। নন্দীগ্রামের মানুষের কাছে বন্ধু শুভেন্দুই থাকবে।’’ স্পিকার রথীন্দ্রের বক্তব্য, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী নিয়মমাফিক আমার হাতে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের জন্য। এর পরে যা প্রক্রিয়া রয়েছে, সেই অনুযায়ী কাজ হবে।’’

নন্দীগ্রামের গড়চক্রবেড়িয়ার বদলে ভবানীপুরের চক্রবেড়িয়ায় আপাতত বেশি সময় দিতে হবে বিধায়ক শুভেন্দুকে। প্রাক্-নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভবানীপুরে এখন খোলা থাকবে বিধায়ক কার্যালয়। চক্রবেড়িয়ার নির্বাচনী কার্যালয়ই এখন বদলে যাচ্ছে বিধায়ক কার্যালয়ে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, যখনই তিনি যাবেন, ১৫ মিনিট বা আধঘণ্টার জন্য হলেও মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চান। তার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও ‘জনতার দরবার’ শুরু করতে চান তিনি। তবে তার জায়গা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

MLA Nandigram Bhawanipore

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy