শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় জলপাইগুড়ির কোভিড হাসপাতাল থেকে একজনকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মালবাজারের বাসিন্দা ওই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শুক্রবার তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় অ্যাম্বুল্যান্সে করে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে বলে হাসপাতালের এক পদস্থ আধিকারিক জানান। জলপাইগুড়ি বিশ্ব বাংলা ক্রীড়াঙ্গনে গড়ে ওঠা কোভিড হাসপাতালে ভর্তি থাকা আরও দু’জনের করোনা সংক্রমণের পরীক্ষা শুক্রবার পর্যন্ত করা হয়নি। তাঁদের করোনা সংক্রমণের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার চেষ্টা চলছে বলে দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এ দিন হাসপাতাল থেকে একজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাঁকে বাড়িতে কোয়রান্টিনে থাকতে বলা হয়েছে।
জলপাইগুড়ি রানিনগরের কোয়রান্টিন কেন্দ্রে শুক্রবার আরও একজনকে রাখা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই কেন্দ্র লাগোয়া এলাকার এক যুবক শিলিগুড়ির একটি হোটেলে কাজ করতেন। তাঁকে বাড়িতে কোয়রান্টিন রাখার পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি তা মানেননি। তাই তাঁকে সরকারি কোয়রান্টিনে পাঠানো হয়েছে। এই কোয়রান্টিন কেন্দ্রে শুক্রবার পর্যন্ত মোট তিনজন আছেন বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর। এছাড়াও মালবাজারের ওদলাবাড়ির সরকারি কোয়রান্টিন কেন্দ্রে ১৮ জন রয়েছেন। জলপাইগুড়ি জেলায় বর্তমানে ৯,৪৫৬ জনকে হোম কোয়রান্টিনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবারও জেলায় বাইরের রাজ্য থেকে ফিরে আসা ১৯ জনকে চিহ্নিত করেছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। এঁদেরকেও বাড়িতে কোয়রান্টিন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জলপাইগুড়ি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রমেন্দ্রনাথ প্রামাণিক জানান।