Advertisement
E-Paper

দত্তাবাদের স্বর্ণকার খুন: জামিনের আর্জি খারিজ তিন অভিযুক্তের! তদন্তের স্বার্থে হেফাজতের নির্দেশ

মৃত স্বর্ণ ব্যবসায়ীর নাম স্বপন কামিল্যা। তাঁর বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরে। তবে থাকতেন দত্তাবাদে। পরিবারের অভিযোগ, ২৮ অক্টোবর দত্তাবাদের সোনার দোকান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় স্বপনকে। পরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ নভেম্বর ২০২৫ ১৭:৫১
Court rejects bail plea of three accused in Duttabad\\\\\\\'s gold merchant’s death case

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ এবং খুনের মামলায় ধৃত তিন অভিযুক্তের জামিনের আর্জি খারিজ করল আদালত। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে বৃহস্পতিবার বিধাননগর আদালতে হাজির করানো হয়।

মৃত স্বর্ণ ব্যবসায়ীর নাম স্বপন কামিল্যা। তাঁর বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের নীলদা পোস্টঅফিস এলাকার দিলমাটিয়া গ্রামে। তবে থাকতেন দত্তাবাদে। পরিবারের অভিযোগ, ২৮ অক্টোবর দত্তাবাদের সোনার দোকান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় স্বপনকে। পরে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে গিয়ে পরিবারের লোকেরা জানতে পারেন, যাত্রাগাছি বাগজোলা খালপাড়ের ঝোপের মধ্যে থেকে এক ব্যক্তির দেহ মিলেছে। এই ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রথমেই রাজু ঢালি এবং তুফান থাপা নামে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই মামলার তদন্তে বেশ কয়েকটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। সেই ভিডিয়োয় অভিযুক্তদের দেখা গিয়েছে।

অভিযুক্তদের আইনজীবী রাহুল রায় বর্মণ জানান, বৃহস্পতিবার শুনানিতে এই মামলার সঙ্গে রাজু এবং তুফানের যোগ কী, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, তদন্তের অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। অভিযুক্তদের আইনজীবীর দাবি, পুলিশের কাছে এর কোনও উত্তর ছিল না। তারা শুধু একটি ভিডিয়োর কথা বার বার বলেছে। তবে সেই ভিডিয়োয় অভিযুক্তদের জটলার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। কোনও হিংসার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলেনি।

রাজু এবং তুফান ছাড়াও এই মামলায় ধৃত বিবেকানন্দ সরকারকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করানো হয়। মঙ্গলবার রাতে কোচবিহার থেকে বিবেকানন্দ ওরফে সোনাইকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে তিনি কী ভাবে ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা স্পষ্ট করেননি তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, বিবেকানন্দ এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সজল সরকারের গাড়ির চালক। পুলিশ সজলকেও গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারির পর বৃহস্পতিবার বিবেকানন্দকে আদালতে হাজির করিয়ে সরকারি আইনজীবী দাবি করেন, কিছু অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। তবে ‘সিজ়ার লিস্টে’ সেই সবের উল্লেখ নেই বলে দাবি অভিযুক্তের আইনজীবী সৌমিত্র সাহা রায়ের। যদিও ধৃতদের জামিনের আর্জি খারিজ করে দেন বিচারক। অভিযুক্ত বিবেকানন্দকে ন’দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আর বাকি দুই ধৃতকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের কথা জানান বিচারক।

ব্যবসায়ীকে খুনের ঘটনায় নাম জড়িয়েছে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের বিডিও প্রশান্ত বর্মণের। তিনি নিজেও কোচবিহার-২ ব্লকের বাসিন্দা। যদিও প্রশান্তের দাবি, তিনি কোনও ভাবেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। বুধবার বারাসত আদালতে তিনি আগাম জামিনের আবেদন করেছেন। আগামী ২৬ নভেম্বর এই মামলার শুনানি হবে।

Murder Case arrest
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy