Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৮ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় তৈরি নৌবাহিনী, বিশাখাপত্তনমে দাঁড়িয়ে ৩ জাহাজ, প্রস্তুত কপ্টারও

গতি বাড়িয়ে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে অতি ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় বুলবুল।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৬:২৩
Save
Something isn't right! Please refresh.
মোতায়েন নৌবাহিনীর জাহাজ। —ফাইল চিত্র

মোতায়েন নৌবাহিনীর জাহাজ। —ফাইল চিত্র

Popup Close

অতি ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় বুলবুল-এর মোকাবিলায় বঙ্গোপসাগরে প্রস্তুত নৌবাহিনীর ইস্টার্ন কম্যান্ড। ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি হলে দ্রুত উদ্ধার এবং ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিতে বিশাখাপত্তনমে নোঙর করেছে নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজ। নৌঘাঁটিতে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে হেলিকপ্টারকে। এ ছাড়া সুন্দরবনে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় কড়া নজরদারি রেখেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

গতি বাড়িয়ে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে অতি ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। স্থলভাগে আছড়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। আর সেই আশঙ্কাতেই আগেভাগে তৈরি নৌসেনা। শনিবার বাহিনীর পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কায় বঙ্গোপসাগরে বিশাখাপত্তনমের উপকূলে তিনটি জাহাজ মোতায়েন রয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার ও ত্রাণের যাবতীয় বন্দোবস্ত রয়েছে জাহাজে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঝড়ের সতর্কবার্তা পাওয়ার পরেই নৌবাহিনীর হেলিকপ্টারগুলি সমুদ্রে টহলদারি চালিয়েছে। মৎস্যজীবীদের সব নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এখনও বিশাখাপত্তনমের দেগা নৌঘাঁটিতে প্রস্তুত রয়েছে হেলিকপ্টারগুলি। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেই সব এলাকায় আকাশপথে নজরদারি চালানো হবে। কেউ আটকে পড়লে প্রয়োজনে আকাশপথেই উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে। পাশাপাশি আকাশপথে ত্রাণ ফেলার প্রয়োজন হলে, তাতেও কোনও অসুবিধা হবে না বলে জানিয়েছেন অধিকারিকরা।

Advertisement



গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ

আরও পড়ুন: দিঘা-সাগরদ্বীপ থেকে মাত্র ৯৫ কিমি দূরে বুলবুল, জলোচ্ছ্বাস-বৃষ্টি-ঝোড়ো হাওয়া উপকূলে

আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টের রায়: অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রামমন্দির হবে, মসজিদ বিকল্প জায়গায়

নৌসেনা জানিয়েছে, জাহাজে চিকিৎসক ও ডুবুরি মিলিয়ে মোট ১০টি দল রয়েছে। রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী। এ ছাড়া ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ— দুই রাজ্যের প্রশাসনের সঙ্গেই নিরন্তর যোগাযোগ রাখছেন বাহিনীর অফিসাররা। আবহাওয়া দফতরের সঙ্গেও সমন্বয় রেখে ঘূর্ণিঝড়ের সর্বশেষ অবস্থান ও গতিবিধি জেনে সেই মতো পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে নৌবাহিনীর তরফে।

সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা। সেই সব এলাকায় সতর্ক রয়েছে বিএএসএফ-ও। প্রয়োজনে তারাও উদ্ধার ও ত্রাণকার্যে হাত লাগানোর জন্য প্রস্তুত বলে বাহিনী সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে।

আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড়ের সাতকাহন



Something isn't right! Please refresh.

Advertisement