অরুণকুমার জানান, মুম্বই, চেন্নাইয়ে বন্দর ও বাসিন্দাদের জন্য রাস্তায় পৃথক লেনের ব্যবস্থা করেছে। একটি লেনে যাত্রিবাহী গাড়ি চলে, অন্যটিতে বন্দরের যানবাহন। বন্দর-কর্তৃপক্ষ মনে করেন, কলকাতাতেও সমাধান সম্ভব ওই পথেই। তবে সমাধানের ব্যাপারে খুব আশাবাদী নন বন্দরকর্তাদের একাংশ। কারণ, বেশ কিছু বিষয়ে বন্দর-রাজ্য সম্পর্ক মোটেই সহজ নয়। দিনের বেলায় বন্দরে লরি-ট্রেলার ঢোকা বন্ধের সিদ্ধান্তে তারই ছায়া দেখছেন ওই কর্তাদের কেউ কেউ। রাজনৈতিক শিবিরের একাংশের সঙ্গে তাঁদের বক্তব্য মিলে যাচ্ছে এখানেই।